৬০ কোটি টাকার মামলার চাপেও থামলেন না! ‘অ্যাডাল্ট মুভি’ কটাক্ষে ট্রলকে একলাইনে চোখা জবাব রাজ কুন্দ্রার। কী বললেন?

রাজ কুন্দ্রা ও শিল্পা শেঠি
শেষ আপডেট: 4 December 2025 14:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী, ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা (Raj Kundra) সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ (আগের টুইটার) একটি মন্তব্য নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। তাঁর পোস্টে এক ট্রল (Troll) 'অ্যাডাল্ট মুভি' (Adult Movies) নিয়ে মন্তব্য করলে, রাজ কুন্দ্রা তাকে তীব্র জবাব দেন।
বর্তমানে এই দম্পতির বিরুদ্ধে ৬০ কোটি টাকার প্রতারণা (Fraud) মামলার তদন্ত চলছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ কুন্দ্রা বৃহস্পতিবার 'এক্স'-এ একটি লম্বা নোট লেখেন, "আমি মাথা নত করিনি। আমি ঘুষ দিইনি। আর তখনই মাস্ক খসে পড়ল। কেউ কেউ ভেবেছিল তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাকে ভেঙে দিতে পারে, কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে ওয়াহেগুরু দি শক্তি জাগতিক সব ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। আমি সত্যে অটল আছি, সচ দা আসরা নিয়ে। এখন নিজেকে জিজ্ঞেস করুন... আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে?"
I didn’t bend. I didn’t bribe. And that’s when masks fell off. Some misused their positions thinking they could break me but they forget Waheguru di shakti is above every worldly power. I stand rooted in truth, with Sach da Asra. Now ask yourself… where do you stand?
— Raj Kundra (@onlyrajkundra) December 4, 2025
রাজ কুন্দ্রার এই পোস্টের পরেই একজন ইউজার তাঁর পুরোনো বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন, "ভাই যাও ইয়ার, নয়া অ্যাডাল্ট মুভি, সিরিজ বনাও (ভাই যাও, নতুন অ্যাডাল্ট মুভি, সিরিজ বানাও)।"
এই মন্তব্যটি এড়িয়ে যাননি রাজ কুন্দ্রা। তিনি এক লাইনে কড়া জবাব দেন, "রোল চাহিয়ে আপকো? (আপনার কি একটি চরিত্রে দরকার?)"

২০২১ সালে রাজ কুন্দ্রা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট তৈরি ও বিতরণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তাঁকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে প্রায় দুই মাস কাটাতে হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) একটি মানি লন্ডারিং মামলায় সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে আগাম জামিন (Anticipatory Bail) দেয়।
বর্তমানে, রাজ কুন্দ্রা এবং তাঁর স্ত্রী শিল্পা শেঠিকে অন্য একটি আইনি মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। লোটাস ক্যাপিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের ডিরেক্টর ব্যবসায়ী দীপক কোঠারির করা ৬০ কোটি টাকার প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত করছে মুম্বই পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW)।