জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন দিব্যা কুমারী। আগামী ১৮ ডিসেম্বর শুনানি। তবে রাহুলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
.jpg.webp)
শেষ আপডেট: 9 December 2025 17:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিমাচলের রাজপরিবারের সদস্য দিব্যা কুমারীর তোপের মুখে অভিনেতা রাহুল বোস। অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দার শংসাপত্রকে ঢাল করে নিজেকে নাকি হিমাচলবাসী দেখাতে চেয়েছিলেন বাঙালি অভিনেতা! শুধু তা-ই নয়, প্রতিশ্রুতি ভাঙা থেকে ক্রীড়া সংগঠনে অস্বচ্ছতা—সব মিলিয়ে রাহুলকে ঘিরে রীতিমতো ঝড় উঠছে পাহাড়ে।
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন দিব্যা কুমারী। আগামী ১৮ ডিসেম্বর শুনানি। তবে রাহুলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
রাগবি ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার জাতীয় সভাপতি রাহুল বোস ২০২৩ সালে হিমাচলে রাগবি অ্যাসোসিয়েশন তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতিতেই ভরসা করে এগিয়ে এসেছিলেন জুব্বাল রাজপরিবারের দিব্যা কুমারী। স্থানীয় বহু ক্রীড়াপ্রেমী ও নেতাকে সঙ্গে নিয়ে গঠিত হয়েছিল কয়েকশো সদস্যের একটি নতুন সমিতি। আয়োজন হয়েছিল শিলান্যাসও।
কিন্তু, দিব্যার অভিযোগ —সেই প্রতিশ্রুতির কিছুই রাহুল রাখেননি। সমিতি সরকারি স্বীকৃতি পায়নি। উল্টে নতুন করে আরও একটি সমিতি গঠন হয়েছে। এই নতুন সমিতিই নাকি আগের সদস্যদের গুরুত্ব, ক্ষমতা ও পরিচিতিকে অস্বীকার করছে। এতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় নেতৃত্ব।
এর পরেই বিস্ফোরক অভিযোগ—হিমাচলের এক স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র নাকি জালিয়াতির মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন রাহুল! কারণ, রাগবি ফেডারেশনের জাতীয় নির্বাচনে রাজ্য থেকে দু’টি ভোট লাগে। সেই ভোটের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। অভিযোগকারীদের মতে, এই শংসাপত্র হাতে এলে রাহুলের নেতৃত্ব আরও মজবুত হতো।
দিব্যা স্পষ্ট অভিযোগ তুলেছেন— রাহুল কলকাতায় জন্মেছেন। স্থায়ী বাসিন্দার নথি মহারাষ্ট্রের। তা হলে কী করে একসঙ্গে দু’টি রাজ্যের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয়পত্র রাখা সম্ভব? তাঁর বক্তব্য, ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃত্ব যে স্বচ্ছ ও নির্ভুল হওয়া উচিত, রাহুলের নথি সেই প্রশ্নই তুলে দিচ্ছে।
পুরো ঘটনায় রাহুলের পক্ষ নীরব। পাহাড়ে এখন শুধু একটাই প্রশ্ন—অভিনেতা-প্রশাসকের বিরুদ্ধে ওঠা এই বিস্ফোরক অভিযোগ কতটা সত্যি?