কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্বজুড়ে। বর্ষীয়ান এই গায়িকার স্মৃতিচারণায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন টলিউডের মেগাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও আশা ভোঁসলে
শেষ আপডেট: 12 April 2026 17:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের (Asha Bhosle) প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্বজুড়ে। ৯২ বছর বয়সে সুরের জগতকে বিদায় জানিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন এই সুর-সম্রাজ্ঞী। বর্ষীয়ান এই গায়িকার স্মৃতিচারণায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন টলিউডের মেগাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানান যে, তাঁর পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবিতে আশা ভোঁসলের কণ্ঠ পাওয়া ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। সেই স্মরণীয় মুহূর্ত: প্রসেনজিৎ পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবি ‘পুরুষোত্তম’-এ আর. ডি. বর্মণের সুরে ‘আজ অন্ধকার যতই হোক দূর হবে’ গানটি গেয়েছিলেন আশাজি।
মেগাস্টারের কথায়, “যাঁদের গান শুনে বড় হয়েছি, যাঁদের আমি অন্ধ ভক্ত—তাঁরাই আমার ছবিতে সুর দিচ্ছেন বা গাইছেন, এটা ছিল অভাবনীয় মুহূর্ত।” বাবার (বিশ্বরজিৎ চট্টোপাধ্যায়) সুবাদে আগে থেকেই আশাজির সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। প্রসেনজিৎ জানান, আশাজি তাঁকে ভীষণ স্নেহ করতেন।
প্রসেনজিতের মতে, ও. পি. নাইয়ারের সময়কাল থেকে ক্যারিয়ার শুরু করা আশা ভোঁসলে ছিলেন একজন সত্যিকারের ‘ট্রেন্ড সেটার’। তাঁর গলার অনন্য প্যাটার্ন অন্য কারও সঙ্গে মিলত না। প্রসেনজিৎ বলেন, “আজও তাঁর গানের রিমিক্স হচ্ছে, মানুষ শুনছে। তিনি সব ধরনের গান গাইতে পারতেন। লতা ও আশা—আমরা দু’জনকেই হারালাম, যা এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আশা ভোঁসলে। সেখানে আইসিইউ-তে কার্ডিওলজিস্টদের বিশেষজ্ঞ দলের অধীনে চিকিৎসাধীন থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালের চিকিৎসক ড. প্রতীত সামদানি তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেল ৪টেয় শিবাজী পার্কে এই মহান শিল্পীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।