গল্পে দেখা যায়, আদি সরাসরি তার বাবাকে প্রশ্ন করে, নন্দিনীর এত রাগের কারণ কী? দময়ন্তীর বাবার আসল পরিচয়ই বা কী? কিন্তু ছেলের এই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দিতে পারে না সে। বরং কথাবার্তা এড়িয়ে যাওয়ায় আদির সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। পরিবারের মধ্যে খুশির আবহ তৈরি হলেও তা বারবার ভেঙে পড়ছে নতুন আশঙ্কায়।

শেষ আপডেট: 3 January 2026 14:01
দ্য় ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরের শুরুতেই ফের একগুচ্ছ চমক ‘আনন্দী’ ধারাবাহিকের ঝুলিতে। আবারও বিপদের মুখে আদি-আনন্দীর পরিবার। সুখ যেন এসেও বারবার থমকে যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই ছোট্ট উমাকে মেরে ফেলার ভয়ংকর ষড়যন্ত্র করেছিল দময়ন্তী। যদিও সেই চক্রান্ত ফাঁস হয়ে যায় এবং দময়ন্তী ধরা পড়ে, তবু আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি। বরং গল্পের নয়া মোড়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে দময়ন্তীর আসল পরিচয়। জানা গিয়েছে, দময়ন্তী আসলে নন্দিনীর মেয়ে। আর এই সত্য সামনে আসতেই একাধিক প্রশ্ন ঘিরে ধরেছে আদি-আনন্দীর পরিবারকে। দময়ন্তীর বাবা কে? এই প্রশ্নই এখন গল্পের কেন্দ্রে। আদির মনে প্রবল সন্দেহ দানা বাঁধছে তার নিজের বাবাকে ঘিরে। কারণ, এত বছর পর নন্দিনীর ফিরে আসা এবং তার মেয়ের মাধ্যমে একের পর এক হামলা—সব মিলিয়ে আদির মনে হচ্ছে, এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে পুরনো কোনও অন্ধকার অধ্যায়।
গল্পে দেখা যায়, আদি সরাসরি তার বাবাকে প্রশ্ন করে, দময়ন্তীর বাবার আসল পরিচয়ই বা কী? কিন্তু ছেলের এই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দিতে পারে না সে। বরং কথাবার্তা এড়িয়ে যাওয়ায় আদির সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। পরিবারের মধ্যে খুশির আবহ তৈরি হলেও তা বারবার ভেঙে পড়ছে নতুন আশঙ্কায়।
এদিকে ধারাবাহিকে এসেছে আরও বড় চমক। নতুন ট্র্যাকের সঙ্গে বদলে গিয়েছে নন্দিনীর মুখও। এতদিন
যে চরিত্রে দর্শক দেখেছিলেন অভিনেত্রী রূপালী ভট্টাচার্যকে, মাঝপথে তাঁর চরিত্র মেগা থেকে পড়ে বাদ। নতুন টুইস্টে নন্দিনী ফিরলেও, পর্দায় এবার আর রূপালী নন। তাঁর বদলে এই চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে।
প্রসঙ্গত, চিকিৎসার সূত্রেই আদি ও আনন্দীর পরিচয়। ঘটনাচক্রে তাদের বিয়ে হয় এবং আনন্দী নিজের স্বপ্ন পূরণ করে চিকিৎসক হয়। গল্পের নানা ওঠাপড়া, ভুল বোঝাবুঝি আর মান-অভিমান পেরিয়ে এখন তারা মেয়ে উমাকে নিয়ে সংসার করছে। যদিও উমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই দু’বার কিডন্যাপের ঘটনা ঘটেছে। দু’টি আলাদা চক্রান্ত হলেও, নেপথ্যের মাথা যে একজনই—তা এখন স্পষ্ট। প্রশ্ন একটাই, শেষমেশ কি আদি-আনন্দী সেই অদৃশ্য শত্রুর মুখোশ খুলতে পারবে?