‘দেবদাস’-এর চন্দ্রমুখী হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা, সঞ্জয় লীলা বনশালির মানবিক দিক ও মীরাবাইয়ের সঙ্গে চরিত্রের আধ্যাত্মিক মিল—সবই তুলে ধরলেন মাধুরী দীক্ষিত।

মাধুরী দীক্ষিত, সঞ্জয় লীলা বনশালি
শেষ আপডেট: 10 February 2026 18:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য চরিত্রে দর্শকের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গিয়েছেন মাধুরী দীক্ষিত (Madhuri Dixit)। তবে তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে ‘দেবদাস’ ছবির চন্দ্রমুখী। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া এই আইকনিক ছবিটি আজও দর্শকের আবেগে জড়িয়ে। মাধুরী নিজেও একাধিক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন, ‘দেবদাস’-এর শুটিং তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
সম্প্রতি সঞ্জয় লীলা বনশালির সঙ্গে কাজের স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। মাধুরীর কথায়, “বনশালিজির সঙ্গে কাজ করে আমি অনেক কিছু শিখেছি। উনি আমাকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে কাস্ট করেছিলেন। শুধু নাচের ছন্দ নয়, ছবির প্রতিটি দৃশ্যই যেন একেকটা কবিতা।”
শুটিংয়ের সময় বনশালির মানবিক দিকও তাঁকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল বলে জানান মাধুরী। তাঁর কথায়, পরিচালক প্রতিদিন সেটে এসে টিমের সকলের খোঁজ নিতেন। শুধু কাজ নয়, সকলেই ঠিকমতো খেয়েছেন কি না, সেদিকেও নজর রাখতেন তিনি। মাধুরী বলেন, “বনশালিজি শুধু একজন অসাধারণ পরিচালক নন, তিনি একজন দারুণ মানুষও। আগে সেটা এতটা বুঝতে পারিনি।”
চন্দ্রমুখী চরিত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাধুরী তুলে ধরেন এক গভীর আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গিও। তাঁর মতে, চন্দ্রমুখীর প্রেম এমন একজন মানুষের প্রতি, যিনি সেই ভালবাসার পূর্ণ প্রতিদান দিতে অক্ষম। এই নিঃস্বার্থ ভালবাসা ও ভক্তির মধ্যেই তিনি কিংবদন্তি কবি-সন্ত মীরাবাইয়ের সঙ্গে চন্দ্রমুখীর এক অন্তর্নিহিত সাদৃশ্য খুঁজে পান।