আমি অফিশিয়ালি বলছি মাধবী মুখার্জী নামে ঐ প্রোফাইলটি একেবারেই ফেক। সোশ্যাল মিডিয়া করতে গেলে তো মেল আইডি লাগে। মার মেল আইডি নেই। মা এসব জানেই না। করতেও চায় না।

গ্রাফিক্স দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 25 August 2025 18:35
চারুলতা ফেসবুকে! মাধবী মুখোপাধ্যায় নাকি সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। তোলপাড় নেটপাড়া। এবার ফেসবুক করলেই মাধবীর সঙ্গে কথা বলা যাবে! সত্যি কী এই মাধবী সেই মাধবী? সত্যতা জানতে অনুসন্ধান চালালো 'দ্য ওয়াল'।
গত কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকে ঘুরছে মাধবী মুখোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া একটি ফেসবুক প্রোফাইল। আদৌ কী মাধবী নিজে জানেন তাঁর নামে কে ফেসবুক প্রোফাইল খুলেছে? যে এই প্রোফাইলটি চালাচ্ছেন তিনি ফেসবুকে অনেকজনকেই রিকোয়েস্টও পাঠাচ্ছেন। অনেকেই এটিকে ফেক প্রোফাইল বললে সেই প্রোফাইল থেকে বলা হচ্ছে 'আমি বয়স্ক লোক এমন বলবেন না। আমার মেয়ে মিমি আমার এই ফেসবুক প্রোফাইলটি খুলে দিয়েছে।'
মাধবী কন্যা মিমি ভট্টাচার্যর সঙ্গে দ্য ওয়াল এর তরফে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান 'আমি মায়ের নামে কোনও ফেসবুক প্রোফাইল খুলিনি। ওটা ফেক প্রোফাইল। আর আমার মা তো সোশ্যাল মিডিয়া করতে পারে না। ফেসবুক জগৎটা কী মা জানে না। হোয়াটস অ্যাপও মা-র নেই। আমি অফিশিয়ালি বলছি মাধবী মুখার্জী নামে ঐ প্রোফাইলটি একেবারেই ফেক। সোশ্যাল মিডিয়া করতে গেলে তো মেল আইডি লাগে। মার মেল আইডি নেই। মা এসব জানেই না। করতেও চায় না। এই আশি পেরনো বয়সে কী একজন মানুষের ইচ্ছে হবে ফেসবুক জয়েন করে সোশ্যাল মিডিয়া করতে? এটা করা উচিত নয়। ফেসবুক এমন একটা জায়গা যে যার খুশি মতো করতে পারে। ফেসবুক যেমন আমাদের আলোকিত করছে, তেমন নেতিবাচক দিকও আছে।'
এরকম ঘটনা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ঘটেছিল। তখন তিনি জীবিত। তবে এ ঘটনা মাধবী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম ঘটল। মিমি ভট্টাচার্য আরও বললেন ' এটা সৌমিত্র কাকুর ক্ষেত্রেও হয়েছিল। সেই ফেক অ্যাকাউন্ট আমাকেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়। আর আমার সঙ্গে সৌমিত্র কাকুর খুব ক্লোজ সম্পর্ক ছিল। সেদিন আবার পৌলমী দির (চট্টোপাধ্যায়) নাটক ছিল। আমি পৌলমীদিকে গিয়ে বলেছি বাবাহ সৌমিত্র কাকু কী স্মার্ট হয়ে গিয়েছে!' পৌলমীদি বলল 'মিমি একদম না। ওটা ফেক! বাবা একটা মেসেজই পাঠাতে পারে না।'
মাধবীর মেয়ে মিমির অকপট কথা থেকে স্পষ্ট ফেসবুকে মাধবী মুখোপাধ্যায়ের প্রোফাইলটি একদমই ফেক।