এই ঘটনার সাক্ষী ছিল তাঁদের ছোট ছেলে জেহও। সেই বিভীষিকার দিন আজও তাড়া করে বেড়ায় তাঁদের পরিবারকে। সম্প্রতি বারখা দত্তের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সেই রাতের ভয়াবহ স্মৃতি ভাগ করে নিলেন করিনা।

কী ঘটেছিল সে রাতে?
শেষ আপডেট: 30 June 2025 19:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেই ভয়াবহ রাতের কথা এখনও ভুলতে পারেননি করিনা কাপুর। ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারির ভোরে নিজের বাড়িতেই ছুরিকাঘাতের শিকার হন সইফ আলি খান। দুষ্কৃতীরা সইফকে পরপর ছয়বার ছুরি মারে। ঘাড়, মেরুদণ্ড এবং হাতে গুরুতর আঘাত পান অভিনেতা। ২.৫ ঘণ্টা ধরে নিউরোসার্জারি এবং প্লাস্টিক সার্জারির পর প্রাণে বাঁচেন অভিনেতা।
এই ঘটনার সাক্ষী ছিল তাঁদের ছোট ছেলে জেহও। সেই বিভীষিকার দিন আজও তাড়া করে বেড়ায় তাঁদের পরিবারকে। সম্প্রতি বারখা দত্তের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সেই রাতের ভয়াবহ স্মৃতি ভাগ করে নিলেন করিনা।
করিনা বলেন, “এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারিনি। বিশেষ করে প্রথম দু-তিন মাস এত ভয় কাজ করত যে ঘুমোতে পারতাম না। মনে হত, কিছু একটা ঘটে যাবে। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি ম্লান হয়। কিন্তু ভিতরে একটা জায়গায় সেই ভয় চিরকাল থেকে যাবে। যেন কারও মৃত্যু দেখার মতো অনুভূতি।”
তবে সন্তানদের সামনে এই আতঙ্ক তিনি প্রকাশ করেননি। করিনার কথায়, “ভয়ের মধ্যে বাঁচা যায় না। সেটা বাচ্চাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ভুল। একদিকে আমি মা, আবার স্ত্রীও। স্বামীর ওপরে সেই আক্রমণের পর পরিবারকে আগলে রাখতে হয়েছে। আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে সইফ বেঁচে আছে।”
সাক্ষাৎকারে করিনা আরও বলেন, “এই ঘটনা আমার ছেলেদের চরিত্র তৈরি করবে। এতদিন তারা খুব সুরক্ষিত জীবন কাটিয়েছে। কিন্তু এখন জানে, জীবন সবসময় নিরাপদ নয়। আমার ছোটো ছেলে জেহ এখনও বলে, ‘আমার বাবা আয়রন ম্যান। বাবার কিছুই হতে পারে না।’ আমাদের কাছে সইফ সত্যিই আয়রন ম্যান।”