ঘনিষ্ঠ সূত্র আরও জানাচ্ছে, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। সম্পর্ক বাঁচাতে সম্ভাব্য সব পথই নাকি খোলা রেখেছিলেন মাহি ও জয়। কিন্তু এক সময় বুঝতে পারেন, সম্পর্কটি আর এগোনোর জায়গায় নেই।

শেষ আপডেট: 5 January 2026 17:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাহি বিজ ও জয় ভানুশালির বিচ্ছেদের ঘোষণা ঘিরে গত কয়েক দিনে বিনোদন দুনিয়ায় চর্চা তুঙ্গে। কয়েক দিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাদা আলাদা পোস্টের মাধ্যমে তাঁরা জানিয়ে দেন, দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই তাঁরা দাম্পত্যে ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই ঘোষণার পরই শুরু হয় নানা জল্পনা, যার মধ্যে অন্যতম ছিল মাহি নাকি জয়ের কাছ থেকে খোরপোশ চাইছেন।
তবে এই গুঞ্জন যে ভিত্তিহীন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন ঘনিষ্ঠ মহলের মানুষজন। সূত্রের দাবি, বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে কোনও আর্থিক দাবি বা আইনি টানাপড়েন চাননি মাহি। নিজের জন্য তো বটেই, এমনকি সন্তানদের জন্যও কোনও রকম ভরণপোষণের দাবি তোলা হয়নি। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। দু’পক্ষই চেয়েছিলেন সম্মান ও শান্তির সঙ্গে এই অধ্যায় শেষ করতে।
ঘনিষ্ঠ সূত্র আরও জানাচ্ছে, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। সম্পর্ক বাঁচাতে সম্ভাব্য সব পথই নাকি খোলা রেখেছিলেন মাহি ও জয়। কিন্তু এক সময় বুঝতে পারেন, সম্পর্কটি আর এগোনোর জায়গায় নেই। তখনই দু’জনে মিলে ঠিক করেন, জোর করে টেনে নিয়ে যাওয়ার বদলে আলাদা হয়ে যাওয়াই সঠিক। মানসিক স্বস্তি ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ—এই দুই বিষয়ই তাঁদের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
বিচ্ছেদের ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই অবাক হয়েছেন অনুরাগী থেকে শুরু করে টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ছোটপর্দার অন্যতম আদর্শ দম্পতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন মাহি ও জয়। ফেব্রুয়ারি মাসের নয় তারিখে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। কন্যা তারা তাঁদের বায়োলজিক্যাল সন্তান, আর খুশি ও রাজবীরকে তাঁরা লালন-পালন করেছেন ছোট থেকেই।
বিচ্ছেদের পর মাহির কিছু পোস্ট ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। একাধিক সংবাদমাধ্যম সেই পোস্টগুলিকে জয়কে উদ্দেশ করে লেখা বলে ব্যাখ্যা করে। তবে সেই ব্যাখ্যায় ক্ষোভ উগরে দেন মাহি নিজেই। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জয়ের সঙ্গে একটি পুরনো ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, লাইক আর কমেন্টের জন্য মিডিয়া যে কোনও স্তরে নামতে পারে। তাঁর কথায়, এই পোস্টগুলি জয়ের উদ্দেশে নয়, বিষয়টিকে নোংরা করা বন্ধ করা হোক।