Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হলিউডে শোকের ছায়া! ৬৫ বছর বয়সে প্রয়াত 'ঘোস্টবাস্টার্স' খ্যাত অভিনেত্রী জেনিফার রুনইয়ন

হলিউডের আশির দশকের জনপ্রিয় মুখ জেনিফার রুনইয়ন আর নেই। ক্যানসারের সঙ্গে ছয় মাসের লড়াইয়ের পর ৬৫ বছর বয়সে প্রয়াত ‘ঘোস্টবাস্টার্স’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।

হলিউডে শোকের ছায়া! ৬৫ বছর বয়সে প্রয়াত 'ঘোস্টবাস্টার্স' খ্যাত অভিনেত্রী জেনিফার রুনইয়ন

জেনিফার রুনইয়ন

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 11 March 2026 13:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আটের দশকের হলিউড টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচিত মুখ জেনিফার রুনইয়ন (Jennifer Runyon) আর নেই। গত ৬ মার্চ নিজের শহরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মার্কিন অভিনেত্রী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। জানা গিয়েছে, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণের খবর সামনে আসতেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে অনুরাগী ও সহকর্মীদের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক শ্রদ্ধাবার্তায় স্মরণ করা হচ্ছে তাঁর অভিনয়জীবনের নানা মুহূর্ত।

আটের দশকে হলিউডের টেলিভিশন ও সিনেমার ‘স্বর্ণযুগ’-এর অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন জেনিফার। ১৯৮৪ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় ছবি ঘোস্টবাস্টার্স-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেই আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান তিনি। ছবিতে তিনি অভিনেত্রী অ্যানি পটস-এর চরিত্রের এক বন্ধুর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।

একই বছরে জনপ্রিয় সিটকম চার্লস ইন চার্জ-এ ‘গুয়েন্ডোলিন পিয়ার্স’ চরিত্রে অভিনয় করে টেলিভিশন দুনিয়ায় নিজের জায়গা আরও মজবুত করেন জেনিফার। সেখানে তিনি অভিনেতা উইলি অ্যামস-এর বিপরীতে প্রেমিকার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন এবং মোট ১৮টি পর্বে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।

এরপর ১৯৮৮ সালে টেলিভিশনের বিশেষ অনুষ্ঠান আ ভেরি ব্র্যাডি ক্রিসমাস-এ ‘সিন্ডি ব্র্যাডি’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের নতুন করে মুগ্ধ করেন তিনি। এই চরিত্রে তিনি জায়গা নেন অভিনেত্রী সুজান ওসলেন-এর পরিবর্তে। পারিবারিক ঘরানার এই চরিত্রে তাঁর সাবলীল অভিনয় তাঁকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।

আটের দশক জুড়ে একাধিক টেলিভিশন প্রজেক্টে কাজ করেন জেনিফার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এইট্টিন এগেইন!, যেখানে তাঁর সহঅভিনেতা ছিলেন কিংবদন্তি কমেডিয়ান জর্জ বার্নস। তবে ক্যারিয়ারের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আচমকাই অভিনয়জগৎ থেকে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

১৯৯১ সালে প্রযোজক টড কর্ম্যান-কে বিয়ে করার পর তিনি হলিউড থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। সেই সময় পরিবার এবং সন্তানদের বড় করে তোলাকেই জীবনের প্রধান অগ্রাধিকার করে তোলেন তিনি। তাঁর দুই সন্তান—ছেলে ওয়ায়াট এবং মেয়ে বেইলি—কে নিজের হাতে বড় করতে চেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতাও এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছিল। এক সাক্ষাৎকারে জেনিফার জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা-মা—রেডিও শিল্পী জিম রুনইয়ন এবং জেন রবার্টস—কাজের ব্যস্ততায় প্রায়ই বাইরে থাকতেন। ফলে ছোটবেলায় তাঁকে অনেক সময় গৃহপরিচারিকা বা ন্যানিদের কাছেই থাকতে হত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি চেয়েছিলেন নিজের সন্তানদের জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পাশে থাকতে।

অভিনয় থেকে দূরে থাকার সময়ে তিনি শিক্ষকতা করেন এবং একটি কুকিং পডকাস্টের সহ-সঞ্চালনাও করেন। পরে সন্তানরা বড় হয়ে ওঠার পর আবার ধীরে ধীরে অভিনয়ে ফেরেন। ২০১০-এর দশকে তাঁর প্রত্যাবর্তনের পর কয়েকটি স্বতন্ত্র ঘরানার ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে। এর মধ্যে রয়েছে সাইলেন্ট নাইট, ব্লাডি নাইট টু: রিভাইভাল, টেরর টেলস এবং ব্লাডসাকার জোন্স ভার্সেস দ্য ক্রিপিং ডেথ। পরে তিনি অভিনয় করেন স্পেকট্রাল স্ক্যোয়াড: দ্য হন্টিং সোফি লোনসন ছবিতেও।

২০২৬ সালেও তাঁর নতুন কিছু কাজ দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনুরাগীরা। কিন্তু সেই আশা অপূর্ণই রয়ে গেল। ৮ মার্চ তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহঅভিনেত্রী এরিক মার্ফি জানান, ক্যানসারের সঙ্গে ছয় মাসের লড়াইয়ের পরই প্রয়াত হয়েছেন জেনিফার রুনইয়ন। তাঁকে ‘একজন অসাধারণ মানুষ’ বলে উল্লেখ করে শোকপ্রকাশ করেন তিনি এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।


```