আজকের দিনটি বিশেষ—আজ জয়া আহসানের জন্মদিন। বাংলা চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী তাঁর অনবদ্য অভিনয় ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে জয় করে নিয়েছেন দুই বাংলার অগণিত দর্শকের হৃদয়। অভিনয়ের পরিধি পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন কখনও এক প্রেরণা, এক সংস্কৃতির প্রতিনিধি।

জয়া আহসান
শেষ আপডেট: 1 July 2025 14:08
আজকের দিনটি বিশেষ—আজ জয়া আহসানের জন্মদিন। বাংলা চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী তাঁর অনবদ্য অভিনয় ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে জয় করে নিয়েছেন দুই বাংলার অগণিত দর্শকের হৃদয়। অভিনয়ের পরিধি পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন কখনও এক প্রেরণা, এক সংস্কৃতির প্রতিনিধি। জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে, ‘দ্য ওয়াল’ পেয়েছিল তাঁর সঙ্গে কিছু সময় কাটানোর সুযোগ। শহরের এক পাঁচতারা রেস্তোরাঁয় পরিচালক অনিরূদ্ধ রায় চৌধুরির সারপ্রাইজ পার্টিতে অভিনেত্রীকে ডাকা হয়। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝে খানিক সময় বের করে পৌঁছন অভিনেত্রী। এবং তারপরই চমকে ওঠেন। সাংবাদিকদের ক্যামেরা, ফ্ল্যাশ, লাইট, সঙ্গে কেক কাটিং।
এমন এক সময়ে খানিকক্ষণ খোলামেলা কথা বলার সুযোগ মিলল।বললেন, ‘আমার কাছে এই পরিস্থিতি খানিক লজ্জাজনকও বটে, আমি কিছুই জানতাম না, ‘অর্ধাঙ্গিনী’র শুটিং চলছে। শুট তাড়াতাড়ি শেষ হয়েছে, ইন্দ্রানীদি (পরিচালক অনিরূদ্ধ রায় চৌধুরির স্ত্রী) বললেন, চলো আজ একসঙ্গে ডিনার করি। কিন্তু এটা যে, এত বড় বিষয়, বুঝিনি! আমি ভীষণ আবেগাচ্ছন্ন।’
জয়া আহসান, তাঁর জন্মদিনের সেরা উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন ‘ডিয়ার মা’র স্ক্রিপ্ট। সেই গিফ্ট তাঁকে দিয়েছিলেন পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরি। ‘ডিয়ার মা’ পোস্টার লঞ্চের দিন জয়া যখন হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই কথা জানালেন, স্ম্ৃতিতে ডুব দিলেন পুরনো সেই দিনটিতে, বললেন, ‘একজন অভিনেত্রীর কাছে ‘ডিয়ার মা’ ছবির চরিত্র, জীবনের সেরা উপহার হয়েই থেকে যাবে,’ তখন চারপাশে ছিল শুধু করতালির শব্দ।
আজও বললেন, সেই একই কথা, বললেন, ‘ওটা সেরা উপহার হয়েই থাকবে! ওটাই ১ নম্বরে থাকবে, বাকি সব কিছু পরের লিস্টিংয়ে থাকবে।’ আরও বললেন, ‘একবার আইপড পেয়েছিলাম, আমার পছন্দের গানগুলো ছিল তাতে। পেন্টিং পেয়েছি। তাতেও খুশি হয়েছি, কিন্তু স্ক্রিপ্টের মতো উপহার পেয়ে যা খুশি আমি হয়েছি, তা কক্ষণও হইনি।’
জয়ার যে খানিক পরিচালক অনিরূদ্ধ রায় চৌধুরির উপর গোঁসাও ছিল, সে কথাও বললেন জয়া, ‘যখন টৌনিদার ‘কড়ক সিং’ ছবিটা করছে, তখন উনি, সঞ্জনা, পার্বতী, পঙ্কজজি, সবাইকে নিয়ে ‘ও ক্যালকাটা’য় খেতে নিয়ে যেত! দু’তিনবার। আমি মিস করে গিয়েছি। ঢাকাতে খেয়েছি ‘ও ক্যালকাটা’য়। কিন্তু এখানে খাওয়া হয়নি। আমি তখন বলেছিলাম, আমাকে খাওয়াতেই হবে। ওঁর সেটা মাথায় আছে, সে কারণেই গোটাটা এখানেই অ্যারেঞ্জ করেছে।’
জয়া আহসার ফুডি। খেতে দারুণ ভালবাসেন। পছন্দের মাছ, ইলিশ। বললেন, ‘এখনও অবধি সেটা খাওয়া হয়নি, তবে যা বুঝছি, মোটা হয়ে যাব, আগামিকালের শুটিংয়ের কন্টিনিউটি থাকবে না।’ বলেই এক গাল হাসি জয়ার মুখে।