৩৯ বছরে মা হয়েছিলেন দিয়া মির্জা। কোল আলো করে এসেছিল ছেলে আভ্যান আজাদ রেখি। তবে পৃথিবীর আলো দেখা আভ্যানের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না।

শেষ আপডেট: 3 June 2025 17:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩৯ বছরে মা হয়েছিলেন দিয়া মির্জা। কোল আলো করে এসেছিল ছেলে আভ্যান আজাদ রেখি। তবে পৃথিবীর আলো দেখা আভ্যানের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। এমনই অবস্থা হয়ে যায় যে মারা যেতে পারতেন দিয়া ও তাঁর গর্ভস্থ ছেলে। সেই হাড়হিম করা কাহিনীই সাক্ষাৎকারে শেয়ার করেছেন দিয়া।
তিনি বলেন, " গর্ভাবস্থার পাঁচ মাসে আমার অ্যাপেনডিক্স অপারেশন হয়। জানি না সেখান থেকেই কিনা, যখন আমার ছয় মাস চলছে আচমকাই আমার প্লাসেন্টা থেকে প্রবল রক্তপাত শুরু হয়। সেপটিক হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। চিকিৎসক জানিয়ে দেন, যদি সন্তানকে এখনই জন্ম না দিই তবে কেউই বাঁচব না।"

সন্তান আসে। তবে প্রি-ম্যাচিওর হওয়ার কারণে জন্মের পর প্রায় ৩৬ ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার চলে দিয়ার ছেলের। তাঁর কথায়, "ওর অন্ত্রে ছিদ্র ছিল। ওর ক্ষুদ্রান্ত্র বের করে অস্ত্রোপচার হয়। সপ্তাহে মাত্র দুই দিন আমি ওকে দেখতে পেতাম। ওকে ধরতে পারতাম না। আড়াই কেজি হওয়ার পর চিকিৎসক অবশেষে অনুমতি দিলেন। এমন অবস্থা হয়েছিল যে নার্সরা ওকে ছুঁতে চাইতেন না। যখন সাড়ে ৩ কেজি ওজন হয়, আবারও এক অস্ত্রোপচার। প্রায় ৩/৪ ঘণ্টা ধরে চলেছিল সেই অস্ত্রোপচার। অবশেষে সে ঠিক হয়।"
২০১৪ সালে ব্যবসায়ী শাহিল সঙ্ঘের সঙ্গকে বিয়ে করেন দিয়া। যদিও ২০১৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ২০২১ সালে আবারও বিয়ে করেন দিয়া। তাঁর স্বামী বৈভব রেখিও ও ব্যবসায়ী। ওই বছরই সন্তান হয় তাঁদের। দুই মাস এনআইসিইউতে কাটানোর পর অবশেষে ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন দিয়া মির্জা। এখন যদিও দু'জনেই ভাল আছেন। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।