১৯৮১ সালে এষা দেওলের জন্মের সময় হেমা মালিনির জন্য হাসপাতালের ১০০টি রুম বুক করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। নীতু কোহলির শেয়ার করা সেই ঘটনাই ফের সামনে এল অভিনেতার প্রয়াণের পর।
.jpeg.webp)
ধর্মেন্দ্র ও হেমা
শেষ আপডেট: 25 November 2025 13:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্মেন্দ্র আর হেমা মালিনীর প্রেমকাহিনি নিয়ে বলিউডে আজ থেকে ১০০ বছর পরও কথা হবে। দু’জনের সম্পর্ক নিয়ে বহু গল্প ঘোরে, অনেকটাই বহু চর্চিত, অনেকটা আবার খানিকটা আড়ালের। সোমবার ধর্মেন্দ্রের মৃত্যু হওয়ার পর ফের সামনে এসেছে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের পুরনো নানা গল্প। ১৯৮১ সালে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনা আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে, পর্দার বাইরে ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) কতটা নিভৃত, কতটা যত্নবান মানুষ ছিলেন।
১৯৮১ সাল। হেমা মালিনী প্রথম সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। তখনই ধর্মেন্দ্র এমন একটি কাজ করেন, যা সাধারণত কোনও তারকাই করেন না। হেমা গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ার পর তিনি ঠিক করেন, সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে। কোনওরকম ভিড়, গুঞ্জন বা চাপ যেন স্ত্রী (Hema Malini) না অনুভব করেন। সেই ভাবনা থেকেই তিনি বুক করে ফেলেছিলেন গোটা নার্সিংহোম (nursing home)।
হ্যাঁ, গোটা বিল্ডিং। যতগুলি রুম ছিল, সব ক’টি, প্রায় ১০০টি ঘর। যাতে অন্য কারও প্রবেশ না হয়, যাতে হেমার ডেলিভারির সময়ে পরিবেশ থাকে শান্ত, কোলাহলহীন। পরে ‘জিনা ইসি কা নাম হ্যায়’ (Jeena Isi Ka Naam Hai) অনুষ্ঠানে হেমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নীতু কোহলি (Neetu Kohli) এই ঘটনা সর্বসমক্ষে আনেন। তিনি বলেছিলেন, ‘কারও কল্পনাই ছিল না যে হেমা গর্ভবতী। ধরমজি চুপচাপ হাসপাতালের সব ঘর বুক করে দিয়েছিলেন। গোপনীয়তার বজায় রাখার জন্য। এটা ছিল তাঁর নিজের স্ত্রী আর আগত সন্তানকে রক্ষা করার উপায়।’
এশা দেওল (Esha Deol) জন্মানোর আগে এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নীতুর কথায়, ‘ওই সময় ওঁর একটাই চিন্তা ছিল, স্ত্রী আর সন্তান যেন ভাল থাকে। তাদের যেন কেউ বিরক্ত না করে।’
সোমবার মুম্বইয়ের পবনহংস (Pawan Hans crematorium) শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে ধর্মেন্দ্র। থেকে গেলেন দুই স্ত্রী- প্রকাশ কউর (Prakash Kaur) ও হেমা মালিনী এবং ছ’জন সন্তান, সানি দেওল (Sunny Deol), ববি দেওল (Bobby Deol), এশা, অহনা (Ahana Deol), অজিতা (Ajeeta) ও বিজেতা (Vijeta)।
আজ, ধর্মেন্দ্রর দীর্ঘ কর্মজীবনের পাশাপাশি যখন তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতিগুলো নতুন করে উঠে আসছে, তখন ১৯৮১ সালের এই ছোট্ট তথ্যটুকুও ফের শিরোনামে উঠে এসেছে।