ভাইফোঁটার সকালে অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবকে দেখা গেল একেবারে অন্য রূপে। সাজসজ্জাহীন, নেই সোনার থালা বা ডিজাইনার সাজ।

দেব-দিপালী
শেষ আপডেট: 23 October 2025 18:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাইফোঁটার সকালে অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবকে দেখা গেল একেবারে অন্য রূপে। সাজসজ্জাহীন, নেই সোনার থালা বা ডিজাইনার সাজ। ভাঁজ করা একটি সাধারণ মাদুরের উপর বসে রয়েছেন তিনি। সামনে ছোট্ট একটি থালা—তাতে কয়েকটা কাজু বরফি, চন্দনের বাটি আর প্রদীপের আলো। এতটুকুই সাজ ভাইফোঁটার। সরল, অথচ তাতে মিশে আছে বোন দীপালির এক গভীর মমতা। এই ছবিই ছুঁয়ে গেছে হাজারো অনুরাগীর মন।
একজন অনুরাগী লিখেছেন, “খ্যাতি বা গ্ল্যামার জগতের চাকচিক্য যে দেবকে ছুঁতে পারেনি, এই ছবিই তার প্রমাণ।” সত্যিই, দেবের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিকগুলির একটি হল তাঁর পারিবারিক টান—যা তিনি লুকিয়ে রাখেন না কখনও। মা-বাবা আর বোনের সঙ্গে তাঁর মুহূর্তের ছবি তিনি প্রায়ই ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে।
দেবের পারিবারিক জীবন সাধারণ। বাকিদের মতোই। সেই সরল জীবনের কথাই যেন জীবন্ত হয়ে উঠল ভাইফোঁটার এই ছবিতে—যেখানে এক তারকা নয়, দেখা মিলল এক সাধারণ ছেলের, যে ভালোবাসে তাঁর পরিবারের সঙ্গে এই নিরাভরণ মুহূর্তগুলোকে।
কিছু দিন আগেই দেব তাঁর পরিবারকে নিয়ে ফিরেছেন দুবাই থেকে। সেখানে ‘রঘু ডাকাত’-এর বিশেষ প্রদর্শন ছিল। কিন্তু কাজের ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারের প্রতি টান যেন একটুও কমেনি। দুবাইয়ের মরুভূমি থেকে আবুধাবির রাস্তাঘাট—সব জায়গায় মা-বাবা, বোনকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন অভিনেতা।
অন্য দিকে, দেব যখন কলকাতায় ভাইফোঁটা নিচ্ছেন, তখন তাঁর প্রিয়তমা রুক্মিণী মৈত্র ছিলেন দিল্লিতে দাদার বাড়িতে। ভাইঝির জন্মদিনের আনন্দে আর ভাইফোঁটার সকালে তিনি মেতে উঠেছিলেন নিজের পরিবারের সঙ্গে। মা মধুমিতা মৈত্রও ছিলেন সেখানে। হাসিখুশি একগুচ্ছ ছবি ভাগ করেছেন রুক্মিণী, জানিয়েছেন—দাদা দিল্লিতে কিনেছেন তাঁর তৃতীয় বাড়ি।

দু’জনেই—দেব আর রুক্মিণী—নিজ নিজ পরিবারের সঙ্গে ব্যস্ত ছিলেন ভালোবাসার বন্ধনে। যেন দু’টি সমান্তরাল গল্প—একদিকে মাদুর পেতে সাজানো সাধারণ থালা, অন্যদিকে ভাইঝির মুখে হাসি। তারকাদের ঝলমলে জীবনের আড়ালে এই সহজ, সাধারণ মুহূর্তগুলোই মনে করিয়ে দেয়—চাকচিক্যের আলোর বাইরে যে ভালোবাসা থাকে, সেটাই আসল আলো। ভাইফোঁটার সকালে দেব ও রুক্মিণী দু’জনেই সেই আলোর হাত ধরেই ফিরলেন নিজেদের ঘরে—যেখানে নেই গ্ল্যামারের গ্লিটার, আছে কেবলই পরিবারের উষ্ণতা আর আপনজনের ছোঁয়া।