Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন, ১০ বছর পর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে মুখ খুললেন দীপিকা

আজ ১০ অক্টোবর। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিন। আর এমন দিনে ফের আলোচনার কেন্দ্রে দীপিকা পাড়ুকোন। না, কোনও ছবির প্রচার নয়, বরং তাঁর মনের খুব কাছের এক উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি।

আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন, ১০ বছর পর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে মুখ খুললেন দীপিকা

অরণ্যা দত্ত

শেষ আপডেট: 10 October 2025 13:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ ১০ অক্টোবর। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিন। আর এমন দিনে ফের আলোচনার কেন্দ্রে দীপিকা পাড়ুকোন। না, কোনও ছবির প্রচার নয়, বরং তাঁর মনের খুব কাছের এক উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি। মধ্যপ্রদেশে পৌঁছে নিজের ফাউন্ডেশন Live Love Laugh-এর এক দশক পূর্তির মুহূর্তে অভিনেত্রী যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন— নীরবতার মধ্যেও লুকিয়ে থাকে যে বিপুল শক্তি।

গত দশ বছর ধরে মানসিক স্বাস্থ্যের সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে নিরলস লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন দীপিকা। এক সময়ে নিজের জীবনের অন্ধকার দিকও লুকোননি তিনি। সেই অভিজ্ঞতাকেই করেছেন শক্তির হাতিয়ার। Live Love Laugh ফাউন্ডেশন আজ দেশের নানা প্রান্তে মানসিক স্বাস্থ্যের আলো পৌঁছে দিচ্ছে— আর সেই অর্জনকেই উদ্‌যাপন করতে দীপিকার এই সফর যেন এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠল।

অনুষ্ঠানে নিজের যাত্রাপথ নিয়ে কথা বললেন তিনি। জানালেন, এই সফর শুধুমাত্র তাঁর ফাউন্ডেশনের নয়, তাঁর নিজেরও আত্ম-আবিষ্কারের পথ। দীপিকা স্পষ্ট, তাই গর্বের কারণও কম নেই, তবে সেই গর্বের সঙ্গে আছে জুড়ে আছে এক অদ্ভুত শান্তি—এক মৃদু হাসি, যিনি জানেন, লড়াই মানেই সর্বদা তলোয়ারের ঝনঝনানি নয়।

যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়— ন্যায্য দাবি তুলতে গিয়ে কখনও কোনও মূল্য দিতে হয়েছে কি না, দীপিকার জবাব নিঃশব্দে ছুঁয়ে যায় প্রত্যেকের মন। তাঁর কথায়, “আমি বহু স্তরে এই লড়াই করেছি। এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। পারিশ্রমিক নিয়েও আমাকে অনেক সময় এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, যার নামও আমি জানি না কী দেব। কিন্তু আমি এমন মানুষ, যিনি নিজের লড়াই, নিজের মতো করে লড়ে গিয়েছি, নিঃশব্দে। কোনওভাবে যদি কখনও সেটা প্রকাশ্যে আসে, সেটা কখনও আমার উদ্দেশ্য থাকে না। আমি যেমন বড় হয়েছি, তাতে মর্যাদা আর নীরব লড়াইয়ের মধ্যেই শক্তি খুঁজে পাই।”

তাঁর এই সংযমী অথচ দৃঢ় উত্তর যেন গোটা শিল্পজগতের চলমান আলোচনাগুলোকেও নতুন দিশা দেখায়— ন্যায্য, সমতা আর সম্মানের কথাকে এক নতুন আলোয় রাখে। দীপিকার এই ভঙ্গিমা শুধু একজন তারকার নয়, এক ভাবুক মানুষের, যিনি নিজের অবস্থান বুঝে নিয়েও অহংকারে ভাসেন না।

এক দশকের পথচলা, অসংখ্য মানুষের জীবনে আলো ছড়ানো, আর তার মধ্যেও নিজের বিশ্বাসকে আঁকড়ে রাখা— এটাই দীপিকার আসল জয়। তিনি আবারও মনে করিয়ে দিলেন, শক্তি মানেই সব সময় গর্জন নয়। অনেক সময় তা প্রকাশ পায় নিস্তব্ধতার মধ্যেও— যেখানে আছে মাধুর্য, মর্যাদা, আর এক অদম্য উদ্দেশ্য।

দীপিকা যেন নিঃশব্দে বলে দিলেন— শব্দ নয়, কাজই কথা বলে। আর সেই নীরব কাজের ধারায় গড়ে ওঠে প্রকৃত সৌন্দর্য, প্রকৃত শক্তি।


```