সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিতর্ক নিয়েই মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, প্রথমে এটি শুধুই একটি পানীয় জলের ব্র্যান্ড হিসেবে শুরু হলেও, এখন তা ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ বেভারেজ ব্র্যান্ডে পরিণত হচ্ছে।

শেষ আপডেট: 27 March 2026 18:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসার জগতে পা রেখেছেন বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর (Bhumi Pednekar)। ২০২৫ সালে নিজের প্যাকেজড ওয়াটার ব্র্যান্ড ‘ব্যাকবে’ (Backbay) লঞ্চ করেন তিনি। তবে শুরু থেকেই এই ব্র্যান্ডকে ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক, কারণ একটাই, সাধারণ পানীয় জলের তুলনায় এর দাম অনেকটাই বেশি।
বর্তমানে ভূমির ব্র্যান্ডে ৫০০ মিলিলিটার জলের বোতলের দাম ১৫০ টাকা এবং ৭৫০ মিলিলিটার বোতলের দাম ২০০ টাকা। যেখানে সাধারণত একই পরিমাণ জলের দাম থাকে ২০ টাকার আশেপাশে, সেখানে এত বেশি দাম কেন, এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিতর্ক নিয়েই মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, প্রথমে এটি শুধুই একটি পানীয় জলের ব্র্যান্ড হিসেবে শুরু হলেও, এখন তা ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ বেভারেজ ব্র্যান্ডে পরিণত হচ্ছে। খুব শীঘ্রই তাঁদের সংস্থার পক্ষ থেকে স্পার্কলিং ওয়াটারও বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
দামের প্রসঙ্গে ভূমির স্পষ্ট বক্তব্য, “হ্যাঁ, আমাদের পণ্যের দাম বেশি। কিন্তু এটি একটি প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট। আমরা মানের সঙ্গে কোনও আপস করি না।” তাঁর দাবি, বাজারে একই ধরনের উচ্চমানের জলের ব্র্যান্ডের দাম আরও বেশি। এমনকি কিছু বিদেশি ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে ৫০০ মিলিলিটার জলের দাম ৪০০-৫০০ টাকাও হয়ে থাকে। সেই তুলনায় তাঁর ব্র্যান্ড অনেকটাই সাশ্রয়ী বলেই মনে করেন তিনি।
ভূমি আরও জানান, ব্যবসা শুরু করার সময় তাঁকে অনেকেই সতর্ক করেছিলেন যে, তিনি বড় বড় প্রতিষ্ঠিত সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামছেন। তবুও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। “আমরা নৈতিকভাবে ব্যবসা চালাই। গ্রাহকদের যা প্রতিশ্রুতি দিই, তা পূরণ করার চেষ্টা করি। সবচেয়ে পরিষ্কার এবং ভাল মানের পণ্য দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য,” বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, অভিনয়ের ক্ষেত্রেও সম্প্রতি প্রশংসা কুড়িয়েছেন ভূমি। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া তাঁর ওয়েব সিরিজ ‘দলদল’-এ তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে দর্শকদের।
সব মিলিয়ে, অভিনয় থেকে ব্যবসা—দুই ক্ষেত্রেই নিজের জায়গা পাকা করতে চাইছেন ভূমি পেডনেকর। তবে তাঁর ‘প্রিমিয়াম জল’-এর দাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল যে রাতারাতি মিটে যাবে, তা একেবারেই বলা যায় না।