এ দিন বেলা গড়াতেই লালবাজারে পৌঁছন ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস, ইম্পার প্রেসিডেন্ট পিয়া সেনগুপ্ত থেকে শুরু করে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তসহ অনেকেই।
.jpg.webp)
শেষ আপডেট: 2 January 2026 16:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন দুয়েক আগেই দ্য ওয়াল জানিয়েছিল এ দিন অর্থাৎ শুক্রবার টলিপাড়ার তরফে হতে পারে লালবাজার অভিযান। সাইবার ক্রাইম ও সামাজিক মাধ্যমে লাগাতার হেনস্থা রুখতে একজোট হয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিতে পারেন টলিপাড়ার মাথারা। ঠিক যেমনটা শোনা গিয়েছিল, বাস্তবে হলও তেমনটাই।
এ দিন বেলা গড়াতেই লালবাজারে পৌঁছন ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস, ইম্পার প্রেসিডেন্ট পিয়া সেনগুপ্ত থেকে শুরু করে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তসহ অনেকেই। এখানেই শেষ নয়, উপস্থিত থাকতে দেখা যায় রানা সরকার থেকে শুরু করে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কেও।
কী কারণে অভিযান?
এ দিন লালবাজারে ঢোকার আগে ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। কী কারণে এই অভিযান, এ নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে স্বরূপ বলেন, "সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে আমাদের শিল্পী, কলাকুশলীকে হেনস্থা করা হচ্ছে, অপমান করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সেই কারণেই লালবাজারের দ্বারস্থ হয়েছি। পুলিশের উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা রাখছি, তাঁরা এই বিরুদ্ধে যথোপযোগী ব্যবস্থা নেবেন।
দেবের অনুপস্থিতি
টলিপাড়ার তাবড় প্রযোজক থেকে শুরু করে নামজাদা শিল্পীরা এ দিন হাজির থাকলেও দেখা যায়নি দেবকে। কেন এলেন না দেব? তিনিও তো টলিউডেরই অংশ। প্রশ্ন করা হয়েছিল ফেডারেশন সভাপতিকে। তিনি যদিও বলেন, "অনেকেই আসতে পারেননি। অন্য কাজ আছে।"
যদিও, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার 'প্রজাপতি ২'-এর হল ভিজিটের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দেব জানিয়েছিলেন, লালবাজার অভিযানের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। এই মুহূর্তে কলকাতাতেই আছেন দেব, তাঁর আজকের এই অনুপস্থিতি সত্যিই কি ব্যস্ততা নাকি ভিতরে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? প্রশ্ন উঠছে।
ডিসেম্বরের মরসুমে মুক্তি পেয়েছে তিন তিনটে বাংলা ছবি। তার মধ্যে একটি দেব অভিনীত। দিন কয়েক আগে আর এক ছবি 'লহ গৌরাঙ্গের নাম রে' প্রযোজক রানা সরকার অভিযোগ জানান, টিকিট বুকিং অ্যাপে ইচ্ছাকৃত নম্বর কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের ছবির। একই অভিযোগ শোনা যায়, সেই ছবির পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের গলাতেও। এরপরেই টলিউডের সদ্য গঠিত হওয়া স্ক্রিনিং কমিটির তরফে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মিটিংয়ে স্ক্রিনিং কমিটির আদপে প্রয়োজনিয়তা আছে কী না তা নিয়ে ভোটাভুটি হয়। সেই ভোটে সকলেই স্ক্রিনিং কমিটির পক্ষে ভোট দিলেও দেব ভোট দেন নোটাতে। ওঠে টলিউড বনাম দেব তত্ত্বও। এর পরেই এই লালবাজার অভিযান। কার বিরুদ্ধে অভিযোগ? সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলই বা করছেন কারা? প্রশ্ন অনেক। উত্তর খুঁজছে গোটা টলিউড।