ছবির প্রচারের শুরুতেই চমক দিল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এর টিম। প্রকাশ্যে এল প্রথম চরিত্র পোস্টার, যেখানে একেবারে নতুন লুকে দেখা গেল অর্জুন চক্রবর্তীকে।

শেষ আপডেট: 19 March 2026 12:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছবির প্রচারের শুরুতেই চমক দিল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এর টিম। প্রকাশ্যে এল প্রথম চরিত্র পোস্টার, যেখানে একেবারে নতুন লুকে দেখা গেল অর্জুন চক্রবর্তীকে। তিনি অভিনয় করছেন মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দীর ভূমিকায়—যে চরিত্রটি গল্পে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিতে চলেছে, তার ইঙ্গিত মিলছে এই প্রথম ঝলকেই। (arjun chakraborty, Phool Pishi O Edward)
পোস্টারে অর্জুনকে দেখা যাচ্ছে একেবারে বাঙালি বরের সাজে। মাথায় টোপর, গলায় মালা, পরনে ঐতিহ্যবাহী পোশাক—সব মিলিয়ে একটি স্পষ্টভাবে শিকড়ে বাঁধা চরিত্রের ছবি ফুটে উঠেছে। তবে শুধু বাহ্যিক সাজেই থেমে নেই বিষয়টা। তাঁর অভিব্যক্তি এবং উপস্থিতি বলছে, এই চরিত্রের ভেতরে আরও কিছু স্তর আছে, যা গল্প এগোতে থাকলে ধীরে ধীরে সামনে আসবে।
পোস্টারের পটভূমি রঙিন ও উৎসবমুখর। লাল এবং সোনালি রঙের ব্যবহার চোখে পড়ে, যা বাঙালির পারিবারিক অনুষ্ঠান এবং সংস্কৃতির আবহকে তুলে ধরে। এই ভিজ্যুয়াল থেকেই বোঝা যায়, ছবিটি তার সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটকে গুরুত্ব দিয়েই তৈরি হচ্ছে।
ছবিটি পরিচালনা করছেন নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তাঁদের ছবিতে সাধারণত গল্পের সঙ্গে সামাজিক বাস্তবতার যোগ থাকে, তাই এই প্রজেক্ট নিয়েও দর্শকের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার উইন্ডোজ প্রোডাকশনের সঙ্গে কাজ করছেন অর্জুন, যা তাঁর কেরিয়ারের জন্যও একটি নতুন অধ্যায়।
এই কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে অর্জুন জানিয়েছেন, মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দীর চরিত্রে অভিনয় করা তাঁর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ একটি অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, এই ছবিটি তাঁর কাছে বিশেষ কারণ এটি তাঁর প্রথম কাজ উইন্ডোজ এবং নন্দিতা রায়, শিবপ্রসাদ ও জিনিয়ার সঙ্গে। যাঁদের কাজ তিনি আগে থেকেই পছন্দ করতেন। নন্দিতা রায়ের ব্যবহার এবং আন্তরিকতা তাঁকে শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দ করেছে বলেও তিনি জানান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এমন একটি চরিত্রে কাজ করা, যা একদিকে ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত, আবার অন্যদিকে আবেগের দিক থেকে জটিল—এটি তাঁর কাছে খুবই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখন তিনি অপেক্ষা করছেন দর্শকের প্রতিক্রিয়ার জন্য।
আগামী ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এর। এই প্রথম চরিত্র পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে ছবির টোন এবং দিকনির্দেশ অনেকটাই স্পষ্ট। সব মিলিয়ে, ছবিটি যে একটি শক্তিশালী গল্প এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আসছে, তার ইঙ্গিত এই শুরুতেই পাওয়া যাচ্ছে।