A9LA ডান্স থেকে স্ক্রিন প্রেজেন্স—‘ধুরন্ধর’-এ রহমান ডাকাত হয়ে কীভাবে নেটদুনিয়া দখল করলেন অক্ষয় খান্না?

অক্ষয় খান্না
শেষ আপডেট: 18 December 2025 13:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রণবীর সিং অভিনীত ও আদিত্য ধর পরিচালিত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar) মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই চারদিকে শুধু একজনেরই নাম শোনা যাচ্ছে, তা হল অক্ষয় খান্না (Akshaye Khanna)। ছবিতে তাঁর ‘রহমান ডাকাত’ (Rehman Dakait) চরিত্রটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন। এই অভাবনীয় সাফল্য এবং অক্ষয়কে কাস্টিং করার নেপথ্যের গল্প নিয়ে মুখ খুললেন নামী কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবরা।
‘ধুরন্ধর’ ছবিতে অক্ষয় খান্নার দুর্দান্ত অভিনয় এবং ‘FA9LA’ গানের তালে তাঁর নাচ এখন নেটপাড়ার হট টপিক। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা এক্স—যেদিকেই চোখ যায়, শুধুই রহমান ডাকাতের রাজত্ব। এই সাফল্য প্রসঙ্গে মুকেশ ছাবরা সোজাসাপ্টা ভাষায় বলেন, “তিনি তো বাপ! এখন আক্ষরিক অর্থেই পুরো ইন্টারনেট অক্ষয় খান্নার দখলে। ছবি মুক্তির পর থেকে যেদিকেই তাকাবেন, টাইমলাইনে শুধু তাঁকেই দেখা যাচ্ছে। মানুষ কেবল তাঁর এন্ট্রি আর অভিনয় নিয়ে কথা বলছে।”
মুকেশ জানান, অক্ষয় জানতেনই না যে তাঁর চরিত্রটি এতটা জনপ্রিয় হবে। কারণ তিনি কেবল নিজের কাজেই মন দিতে ভালবাসেন। মুকেশ ছাবরা জানান, এই চরিত্রের জন্য প্রথমে অনেক নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। দীর্ঘ বাছাই পর্বের পর তাঁরা অক্ষয় খান্নার নামে স্থির হন। কাস্টিংয়ের সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে মুকেশ বলেন, “সবচেয়ে সুন্দর বিষয় ছিল যে, অক্ষয় যখন স্ক্রিপ্ট শুনতে (ন্যারেট) এসেছিলেন, তখন তিনি একাই এসেছিলেন।” গল্প শোনার পর অক্ষয়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত আন্তরিক। মুকেশের চোখের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেছিলেন, “দারুণ লেগেছে, মজা এসে গেছে ভাই!”
বলিউডে অনেক অভিনেতা স্ক্রিপ্ট পড়ার কথা বলে পরে আর যোগাযোগ করেন না (যাকে আধুনিক ভাষায় ‘ঘোস্টিং’ বলা হয়)। কিন্তু অক্ষয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই আলাদা। মুকেশ বলেন, “তিনি তাঁর কথার দাম রাখেন। তিনি নিজেই নিজের সব সিদ্ধান্ত নেন এবং যা বলেন তা করেন।” চিত্রনাট্য শোনার পর অক্ষয় বলেছিলেন, তিনি রাতে একবার পড়ে নেবেন এবং ঠিক সেটাই করেছিলেন।
আদিত্য ধরের পরিচালনায় ‘ধুরন্ধর’ বক্স অফিসের একের পর এক রেকর্ড ভেঙে এগিয়ে চলেছে। অক্ষয় খান্না ও রণবীর সিং ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, সারা অর্জুন, অর্জুন রামপাল এবং রাকেশ বেদি।