বলিউডে কিছু ফেরা শুধু নতুন ছবি নয়, এক ধরনের নস্টালজিয়াও তুলে আনে। ঠিক তেমনই এক আবেগের নাম ‘ভূত বাংলা’ (Bhoot Bangla)। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও বক্স অফিসে ফিরছেন অক্ষয় কুমার—আর তাঁর সঙ্গে ফিরছে প্রিয়দর্শনের সেই চেনা জঁর যেখানে ভয় আর হাসি হাত ধরাধরি করে চলে।

শেষ আপডেট: 8 January 2026 17:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডে কিছু ফেরা শুধু নতুন ছবি নয়, এক ধরনের নস্টালজিয়াও তুলে আনে। ঠিক তেমনই এক আবেগের নাম ‘ভূত বাংলা’ (Bhoot Bangla)। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও বক্স অফিসে ফিরছেন অক্ষয় কুমার—আর তাঁর সঙ্গে ফিরছে প্রিয়দর্শনের সেই চেনা জঁর যেখানে ভয় আর হাসি হাত ধরাধরি করে চলে। হরর কমেডির পর্দায় অক্ষয়কে দেখার উচ্ছ্বাসে গত বছর থেকেই উত্তাল ভক্তমহল, আর এবার সেই উত্তেজনায় যোগ হল নিশ্চিত তারিখের ছাপ।
চোদ্দ বছর পর অক্ষয় কুমার ও প্রিয়দর্শন আবার একসঙ্গে—এই খবরটাই ছিল অনুরাগীদের কাছে একপ্রকার উৎসব। ‘হেরা ফেরি’, ‘গরম মশালা’, ‘ভাগম ভাগ’, ‘ভুল ভুলাইয়া’, ‘দে দান দান’, ‘খাট্টা মিঠা’—এই নামগুলো শুধু ছবির তালিকা নয়, বলিউডের কমেডি ইতিহাসে একেকটি মাইলস্টোন। সেই স্মৃতির ঝাঁপি খুলেই এবার আসছে ‘ভূত বাংলা’, যেখানে পুরনো সেই হাসির রেশের সঙ্গে মিশবে অদ্ভুত এক ভৌতিক রোমাঞ্চ।
এই প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৭ জানুয়ারি নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দেন বহু প্রতীক্ষিত খবর। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা পোস্টে রহস্যময় ভঙ্গিতে লেখা হয়—বাংলো থেকে এক খবর এসেছে, আর সেই বাংলোর দরজা খুলবে ২০২৬ সালের ১৫ মে। সেই দিনই প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের সঙ্গে দেখা হবে ‘ভূত বাংলা’র। একটি তারিখ, কিন্তু তার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে বহু স্মৃতি, বহু প্রত্যাশা।
প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে বালাজি মোশন পিকচার্স ও কেপ অফ গুড ফিল্মস, সঙ্গে শোভা কাপুর ও একতা কাপুরের নাম—যা নিজেই ছবির স্কেলের ইঙ্গিত দেয়। পর্দায় অক্ষয়ের সঙ্গে থাকছেন একঝাঁক পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ—মনু মেনন, মনোজ যোশী, বিন্দু দারা সিং, মিঠুন চক্রবর্তী, টাবু, ভামিকা গাব্বি, পরেশ রাওয়াল, জেমি লিভার, মিথিলা পালকার, রাজপাল যাদব। এই ভৌতিক যাত্রায় বাংলার প্রতিনিধিত্ব করছেন যিশু সেনগুপ্তও। আর বাড়তি চমক হিসেবে থাকছে শেহনাজ গিলের ক্যামিও আইটেম নম্বর, যা ইতিমধ্যেই কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।
সব মিলিয়ে ‘ভূত বাংলা’ শুধু হরর কমেডি নয়। হাসির ফাঁকে ভয় আর ভয়ের আড়ালে নস্টালজিয়া। কেন্দ্রে অক্ষয়–প্রিয়দর্শনের সেই পুরনো বোঝাপড়া। ২০২৬ সালের ১৫ মে, যখন সেই রহস্যময় দরজা খুলবে, তখন শুধু এক বাংলো নয়—খুলে যাবে দর্শকের মনের ভেতরের পুরনো,সেই দমকা হাসির দরজাও।