ইডেনে এসে দুই ক্লাবের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেন প্রাক্তন বোর্ড সভাপতি সৌরভ। অবশেষে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। সাকির গান্ধীর নটআউটের সিদ্ধান্ত মেনে নেয় ইস্টবেঙ্গল। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর সন্ধে ৬.১০ নাগাদ ফের শুরু হয় ম্যাচ।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 3 June 2025 12:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ক্রিকেটের নন্দনকাননে। ইডেনে (Eden Gardens) চলছে সিএবি’র প্রথম ডিভিশনের ফাইনাল (CAB First Division Final)। সোমবার ছিল ফাইনালের দ্বিতীয় দিন। মুখোমুখি হয়েছিল ভবানীপুর ও ইস্টবেঙ্গল (Bhawanipur vs East Bengal)। আর সেই ম্যাচেই তুমুল উত্তেজনা। যার জেরে বন্ধও হয়ে যায় ম্যাচ। এরপর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Gangopadhyay) আসরে নামার পর পরিস্থিত সামাল দেওয়া যায়।
ইডেনে দিন-রাতের এই ফাইনাল হচ্ছে গোলাপি বলে। কিন্তু ফাইনালের দ্বিতীয় দিন শুরুতেই বেঁধে গেল তুলকালাম কাণ্ড। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকল ম্যাচ। আসলে ঘটনার সূত্রপাত আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত ঘিরে।
ইস্টবেঙ্গেলর বাঁ-হাতি পেসার কণিষ্ক শেঠের বল ভবানীপুরের ব্যাটার সাকির হাবিব গান্ধীর ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় স্লিপে। সেই বল তালুবন্দি করেন সন্দীপন দাস। প্রথমে আম্পায়ার কৃষ্ণেন্দু পাল আউটও দিয়ে দেন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা লাগান সাকির। এদিকে, সেই সময় স্কোয়ার লেগ আম্পায়ার অভিজিৎ ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় কৃষ্ণেন্দুকে। এরপরেই তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টে জানান, আউট হননি সাকির, কারণ ক্যাচ ঠিকমতো ধরা হয়নি।
কিন্তু আম্পায়ারের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে প্রতিবাদে ফেটে পড়েল লাল-হলুদ ক্রিকেটাররা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন ক্লাবকর্তারাও। ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁরা দল তুলে নেওয়ার হুমকিও দেন। তবে চুপ ছিল না ভবানীপুরও। তাদের যুক্তি ছিল আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে মেনে নেওয়া উচিত। কারণ তাঁর যদি মনে হয় ওটা আউট ছিল না, তাহলে সিদ্ধান্ত বদল করতেই পারেন তিনি। অবস্থা বেগতিক দেখে আসরে নামেন সিএবি প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। তবে তিনিও উত্তেজনা প্রশমন করতে পারেননি।
এরপর ইডেনে এসে দুই ক্লাবের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেন প্রাক্তন বোর্ড সভাপতি সৌরভ। অবশেষে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। সাকির গান্ধীর নটআউটের সিদ্ধান্ত মেনে নেয় ইস্টবেঙ্গল। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর সন্ধে ৬.১০ নাগাদ ফের শুরু হয় ম্যাচ।