দ্বিতীয় টেস্ট ভারতের জন্য কার্যত মরণবাঁচন লড়াই। ইডেনে মাত্র ১২৪ রান তাড়া করতে না পেরে ম্যাচ হারার পর সিরিজ বাঁচাতে হলে এবার শুরু থেকেই নিখুঁত ক্রিকেট খেলতে হবে।
.jpeg.webp)
শুভমান গিল
শেষ আপডেট: 18 November 2025 10:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয় টেস্টের আগে ভারতীয় শিবিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—শুভমান গিল (Shubhman Gill) আদৌ খেলতে পারবেন তো? মঙ্গলবার দলের প্রথম অনুশীলন সেশন ছিল। কিন্তু দলের অধিনায়ককে নেটে দেখা গেল না। তাঁর অনুপস্থিতিতেই শুরু হয় প্রস্তুতি, আর সেই সূত্রে ঘনাতে থাকে শঙ্কা—২৩ নভেম্বর শুরু হওয়া টেস্টে টিম ইন্ডিয়া কি আবার নামবে ছন্দে থাকা গিলকে ছাড়াই?
কলকাতা টেস্টে (Kolkata Test) প্রথম ইনিংসে ঘাড়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। মাত্র তিন বল খেলেই বুঝেছিলেন সমস্যা গভীর। পরে বিকেলে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেই চোট এখনও পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। সিরিজ ওপেনারের দ্বিতীয় ইনিংসে (Second Innings) মাঠে ফেরেননি গিল। অধিনায়কত্ব সামলাতে হয় ঋষভ পন্থকে (Rishabh Pant)।
দলের সূত্র বলছে, শুভমানকে গুয়াহাটি যাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সম্ভবত তিনি দলের সঙ্গে যাবেন না। যদি তাই হয়, তবে দ্বিতীয় টেস্টেও ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন পন্থ। এমনটা হলে সিরিজে পিছিয়ে থাকা দলের জন্য বড় ধাক্কা। সঙ্গে চাপও বাড়বে পন্থের—ব্যাট হাতে দায়িত্ব, সঙ্গে অধিনায়কত্ব, দুটোই সামলাতে হবে টানা দু’নম্বর ম্যাচে।
দলের বাকি সদস্যরা যদিও অনুশীলনে ব্যস্ত। নেটে দেখা গেল ধ্রুব জুরেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সাই সুদর্শনকে। কোচিং সদস্যদের নজরদারিতে চলছে ব্যাটিং–বোলিংয়ের প্রস্তুতি। তরুণদের বাড়তি তৎপরতা দেখে বোঝা যাচ্ছে, স্কোয়াডে গভীরতা তৈরি করতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট। গিল না খেললে কে নামবেন তিন নম্বরে—এটাও বড় প্রশ্ন। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে সাই সুদর্শনের নামই প্রথম সারিতে।
চোট–জটিলতার মধ্যে আবার আলোচনায় এসেছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি (Nitish Kumar Reddy)। প্রথম টেস্ট শুরুর আগেই রিলিজ করা হয়েছিল, কিন্তু গিলের অনুপস্থিতিতে অলরাউন্ড বিকল্প হিসেবে তাঁকে নিয়ে ফের ভাবনাচিন্তা চলতে পারে। তবু স্পষ্ট সম্ভাবনা সাই সুদর্শনই (Sai Sudharsan) গিলের জায়গায় একাদশে ঢুকবেন।
দ্বিতীয় টেস্ট ভারতের জন্য কার্যত মরণবাঁচন লড়াই। ইডেনে মাত্র ১২৪ রান তাড়া করতে না পেরে ম্যাচ হারার পর সিরিজ বাঁচাতে হলে এবার শুরু থেকেই নিখুঁত ক্রিকেট খেলতে হবে। সেই লড়াইয়ের আগে অধিনায়ককে অনুশীলনে না দেখা যাওয়ায় শিবিরের উদ্বেগ বেড়েছে। এখন নজর একটাই—আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় গিলের চোটের অবস্থা কতটা উন্নতি হয়। ফিটনেস রিপোর্টই ঠিক করবে, গুয়াহাটিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না।