বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে গিয়ে পাঁজরের সপ্তম হাড়ে চিড় সাই সুদর্শনের। চোট সারাতে প্রায় ছ’সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে তামিলনাড়ুর এই তরুণ ব্যাটারকে।

সাই সুদর্শন
শেষ আপডেট: 2 January 2026 18:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়ে পাঁজরে চোট পেলেন সাই সুদর্শন। আপাতত ছয় সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে চলেছেন।
তাঁর ডান দিকের সপ্তম পাঁজরের অ্যান্টিরিয়র কর্টেক্সে (anterior cortex of the seventh right rib) চিড় ধরেছে। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের চোট সারতে অন্তত ছ’থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগে। ফলে আগামী দেড় মাসের বেশি সময় ক্রিকেটের বাইরে থাকতে হতে পারে সুদর্শনকে।
তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) হয়ে মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) বিরুদ্ধে বিজয় হাজারে ট্রফির ম্যাচে খেলতে নেমেই এই চোট পান তিনি। ম্যাচটি হয়েছিল আমদাবাদে (Ahmedabad)। ম্যাচ চলাকালীন একটি বল তাঁর পাঁজরে আঘাত করে। পরে স্ক্যান রিপোর্টে স্পষ্ট হয়, ডান দিকের সপ্তম পাঁজরের সামনের অংশে সরু ফ্র্যাকচার রয়েছে।
২৯ ডিসেম্বর সুদর্শন বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে (Centre of Excellence) ভর্তি হন এই ব্যাটার। সেখানেই তাঁর বিস্তারিত শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, আপাতত তাঁকে পুরোপুরি বিশ্রামে না রেখে নিয়ন্ত্রিত ট্রেনিং করানো হচ্ছে। তবে উপরের অংশের অনুশীলন বন্ধ।
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে সুদর্শন মূলত লোয়ার বডির (lower-body) কন্ডিশনিংয়ের কাজ করছেন। চোট পাওয়া জায়গাটিকে বিশেষ সুরক্ষা দিয়ে এই অনুশীলন চলছে। চিকিৎসকদের দাবি, এই প্রোগ্রামে তিনি ভাল সাড়া দিচ্ছেন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে ব্যথা ও অস্বস্তি কমলে ধীরে ধীরে আপার বডির (upper-body) ট্রেনিং শুরু করা হবে। তারপর ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ফিটনেস প্রোগ্রামে ফিরবেন।
উল্লেখ্য, চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে এর আগেও নেট সেশনের (net session) সময় একই জায়গায় বলের আঘাত পেয়েছিলেন সুদর্শন। ধারণা করা হচ্ছে, সেই জায়গাতেই ফের চোট লাগায় আঘাত গুরুতর হয়েছে।
আপাতত জাতীয় দলের (Team India) ভাবনায় নেই সুদর্শনের নাম। তবে স্বস্তির খবর, সব ঠিকঠাক চললে আইপিএল ২০২৬ (IPL 2026)-এ খেলতে সমস্যা হবে না। গুজরাত টাইটান্সের (Gujarat Titans) হয়ে তিনি দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। অধিনায়ক শুভমন গিলের (Shubman Gill) সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন সুদর্শন। ফলে আইপিএলের আগে পুরোপুরি ফিট হয়ে ওঠাই এখন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।