Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

পদপিষ্টের ঘটনায় পুরোপুরি দায়ী আরসিবি ও পুলিশ, জানিয়ে দিল বিচার বিভাগীয় কমিশন

কেএসসিএ, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ইভেন্ট আয়োজক ডিএনএ এন্টারটেইনমেন্ট এবং বেঙ্গালুরু পুলিশ ৪ জুন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে পদপিষ্ট হওয়ার জন্য সরাসরি দায়ী। 

পদপিষ্টের ঘটনায় পুরোপুরি দায়ী আরসিবি ও পুলিশ, জানিয়ে দিল বিচার বিভাগীয় কমিশন

আরসিবি ভিকট্রি সেলিব্রেশন

শেষ আপডেট: 12 July 2025 18:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরও বিপদ বাড়ল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (RCB)। সেই সঙ্গে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় পুরোপুরি জড়িয়ে গেল কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (KSCA), রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ইভেন্ট আয়োজক ডিএনএ এন্টারটেইনমেন্ট এবং বেঙ্গালুরু পুলিশের নাম। 

শুক্রবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে ঘটনার বিস্তারিত জমা দিয়েছে বিচার বিভাগীয় কমিশন। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেএসসিএ, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ইভেন্ট আয়োজক ডিএনএ এন্টারটেইনমেন্ট এবং বেঙ্গালুরু পুলিশ ৪ জুন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে পদপিষ্ট হওয়ার জন্য সরাসরি দায়ী। 

আরসিবি প্রথমবারের মতো আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে তার উদযাপন পালনের সময় সেখানে ১১ জন নিহত এবং ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। এরপর কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করা হয়ে। এদিন তাদের পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দায় পুরোপুরি এই সংস্থাগুলির উপর বর্তেছে।

সূত্র মতে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জন মাইকেল ডি'কুনার নেতৃত্বে এক সদস্যের তদন্ত কমিশন দেখেছে যে, ভিড়কে নিরাপদে পরিচালনা করা অসম্ভব জেনেও সকল পক্ষ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করেছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের "চরম অবহেলা এবং কর্তব্যে অবহেলা" উল্লেখ করা হয়েছে।

৪ জুনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিন লক্ষের বেশি আরসিবির সমর্থক। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার কোনও ব্যবস্থাই ছিল না সেখানে। অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ের ফলে বিকেল ৩:২৫ নাগাদ পদপিষ্টের মতো মারাত্মক ঘটনা ঘটে যায়

পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং ভিড় ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি তদন্তের জন্য ডি'কুনহা কমিশনকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন, কমিশন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পাশাপাশি একাধিক শুনানি করে এবং প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ কর্মকর্তা, কেএসসিএ কর্মকর্তা এবং সরকারি প্রতিনিধিদের বক্তব্য রেকর্ড করে।

কমিশন তদন্ত করে পরিষ্কার বুঝতে পেরেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার তীব্র ঘাটতি ছিল। স্টেডিয়ামের ভিতরে মাত্র ৭৯ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। বাইরে কোনও পুলিশ মোতায়েন ছিল না। ঘটনাস্থলে কোনও অ্যাম্বুলেন্সও ছিল না।

তাছাড়া, তদন্তে জানা গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছন আধ ঘণ্টা পর। অন্যদিকে পদস্পিষ্ট হওয়ার দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পরও বিকেল ৫:৩০ পর্যন্ত পুলিশ কমিশনারকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া শুক্রবার দুই খণ্ডের প্রতিবেদনটি গ্রহণ করে বলেনএটি ১৭ জুলাই রাজ্য মন্ত্রিসভার সামনে উপস্থাপন করা হবে। তদন্তের ফলাফল এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

কর্ণাটক সরকার প্রথমে এই ঘটনার বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছিল। পাশাপাশি সিদ্দারামাইয়া সরকার পুলিশকে মামলার অপরাধমূলক দিকগুলি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। অবহেলা এবং অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের জন্য আরসিবি, কেএসিএ এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম ডিএনএ এন্টারটেইনমেন্টের বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর দায়ের করা হয় তাৎক্ষণিক ভাবে।

পরবর্তীতে, সরকার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং কর্তব্য পালনে ব্যর্থতার জন্য তৎকালীন বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার এবং আরও দুই আইপিএস অফিসার-সহ পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে। সেই সঙ্গে কর্ণাটক হাইকোর্ট নিজেই বিষয়টি গ্রহণ করে এবং মৃত্যুর জন্য দায়ী কে তা সনাক্ত করতে সরকারকে নয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।


```