কর্নাটকের জন্য এই ফাইনাল স্মরণীয়। শেষবার ২০১৪-১৫ মরসুমে আর বিনয় কুমারের নেতৃত্বে শিরোপা জয়। সেই সোনালি অতীত ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫—দুই মরসুমে রঞ্জি, ইরানি ও বিজয় হাজারে ট্রফি জিতে গড়েছিল ইতিহাস।

গ্রাফিক্স: দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 20 February 2026 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষার পর আবার রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy) ফাইনালে কর্নাটক (Karnataka)। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ড্র হলেও প্রথম ইনিংসের বিশাল লিডের জোরে ১১ বছর পর নামতে চলেছে শিরোপা দখলের লড়াইয়ে। ফাইনাল শুরু ২৪ ফেব্রুয়ারি। প্রতিপক্ষ—প্রথমবারের ফাইনালিস্ট জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)।
প্রথম ইনিংস লিডেই কেল্লাফতে
লখনউয়ে সেমিফাইনালের শেষ দিনে ২৯৯/৬ থেকে শুরু করে ৩২৩ রানে গুটিয়ে যায় কর্নাটক। কিন্তু প্রথম ইনিংসের বিপুল লিডই কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। মোট ৮২৬ রানের সামগ্রিক ব্যবধানে উত্তরাখণ্ডের আর ফেরার রাস্তা ছিল না। দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই করলেও ফল পাল্টাতে পারেনি। অবনীশ সুদা ৬৬, সচিন রাওয়াত অপরাজিত ৫৩ এবং অভয় নেগি অপরাজিত ৫৭ রান করেন। একসময় ১৫৬/৬ করে চাপ বাড়ালেও, রাওয়াত-নেগির ১০৪ রানের জুটির সৌজন্যে ম্যাচ ড্র। চা-বিরতির পর দুই অধিনায়ক হাত মেলান। উত্তরাখণ্ড শেষ করে ২৬০/৬।
কর্নাটকের জন্য এই ফাইনাল স্মরণীয়। শেষবার ২০১৪-১৫ মরসুমে আর বিনয় কুমারের (R Vinay Kumar) নেতৃত্বে শিরোপা জয়। সেই সোনালি অতীত ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫—দুই মরসুমে রঞ্জি, ইরানি ও বিজয় হাজারে ট্রফি জিতে গড়েছিল ইতিহাস।
পুরনো যুগের সেতুবন্ধন
বর্তমান দলে সেই সাফল্যের সাক্ষী কয়েকজন—কে এল রাহুল (KL Rahul), করুণ নায়ার (Karun Nair), ময়াঙ্ক আগরওয়াল (Mayank Agarwal), শ্রেয়স গোপাল (Shreyas Gopal)। অভিজ্ঞতার এই সেতুবন্ধনই চলতি অভিযানে বাড়তি ভরসা জোগাচ্ছে।
অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মীর প্রথমবারের মতো ফাইনালে। সেমিফাইনালে তারা বাংলাকে হারিয়েছে ছয় উইকেটে। তাদের সামনে এখন নয়া ইতিহাস লেখার হাতছানি।
চিন্নাস্বামী নয়, ফাইনাল হুব্বলিতে
এদিকে ফাইনালের আগে কর্নাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (KSCA) জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে (M Chinnaswamy Stadium) চলা নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কারণে কাজ চলছে। যে কারণে খেলা সরানো হয়েছে হুব্বলিতে। কেএসসিএ-র মুখপাত্র বিনয় মৃত্যুঞ্জয়ের বক্তব্য (Vinay Mruthyunjaya), দর্শকদের সুবিধা ও নিরাপত্তার মান বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত, যা বিসিসিআইয়ের (BCCI) সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে। উপরন্তু এই জায়গা বদলকে ‘আশীর্বাদ’বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদের (Venkatesh Prasad) নেতৃত্বাধীন নতুন কমিটির লক্ষ্য—বেঙ্গালুরু ছাড়িয়ে রাজ্যের অন্যান্য কেন্দ্রেও বড় ম্যাচ আয়োজন, যাতে রাজ্যজুড়ে ক্রিকেটের প্রসার ঘটে।