রবিবার দুবাইয়ে ভারতের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ দ্বৈরথ। ইতিহাস বলছে, পাক দলকে এ যাত্রায় খেলতে হবে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে। কারণ, ভারত–পাক টি–২০ দ্বৈরথে ১৩ ম্যাচে ১০ বার জিতেছে মেন ইন ব্লু।

সলমন আঘা
শেষ আপডেট: 13 September 2025 11:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এশিয়া কাপে (Asia Cup 2025) দুরন্ত শুরু পাকিস্তানের। ওমানকে ৯৩ রানে উড়িয়ে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে সলমন আঘার দল। বাবর–রিজওয়ান নেই। অভিজ্ঞতার অভাব বিপদে ফেলবে না তো? গত কয়েক বছরের দুর্যোগ ভুলে রূপান্তরের পথে দল। এই পর্বান্তরের চাপ কতটা সামলে নিতে পারবে তরুণ ক্রিকেটাররা? এমন প্রশ্ন যখন কাঁটা হয়ে ফুটবে ফুটবে করছে, তখনই সদ্যসমাপ্ত ত্রিদেশীয় সিরিজে জয় এবং এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্স।
সংশয়ী ও সমালোচকদের অনেকেই অবশ্য একে খুব একটা আমল দিতে নারাজ। ওমান আর ভারত এক নয়। আর এশিয়া কাপের খেতাব জিততে হলে পাকিস্তানকে অবশ্যই টিম ইন্ডিয়াকে পরাস্ত করতে হবে। যেটা মোটেও সহজ হবে না। আঘা-ব্রিগেডকে এই তেতো সত্যিটা মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে।
যদিও কাল নেহাতই একপেশে কায়দায় লড়াই জেতার পর উদ্দীপ্ত মেজাজে ধরা দিলেন অধিনায়ক সলমন আঘা (Salman Ali Agha)। ম্যাচ খতম হতে না হতেই নাম না করে ভারতকে ছুড়লেন কড়া চ্যালেঞ্জ। তাঁর সাফ ঘোষণা, ‘আমরা এখন এমন ছন্দে আছি, তাতে যে কাউকে হারানোর ক্ষমতা রাখি!’
প্রসঙ্গত, গতকাল দুবাইয়ে প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান তোলে ১৬০/৭। ইনিংসের নায়ক মহম্মদ হারিস (Mohammad Haris)। ৪৩ বলে ৬৬ রান—৭টি চার, ৩টি ছক্কায় সাজানো ইনিংস। পরে পাক বোলাররা দাপট দেখাতেই ৬৭ রানে বান্ডিল ওমান। সহজ জয় ছিনিয়ে নেন মাইক হেসনের (Mike Hesson) ছেলেরা।
ম্যাচের পর মাঠের ঝাঁঝ ঝরে পড়েছে আঘার গলায়। তিনি বলেন, ‘গত দু–তিন মাস ধরে আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলছি। সদ্য ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতেছি। এখানে শুরুটাও হল দাপুটে। শুধু পরিকল্পনা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই আমরা যে কাউকে হারাতে সক্ষম!’
ম্যাচসেরার পুরস্কার পেলেন হারিস। জানালেন, নিজের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে তাঁর কোনও দাবি নেই। হারিসের কথায়, ‘দল যা চাইবে, তাই করব। এমনকি আমাকে ১০ নম্বরেও নামতে বললে রাজি। আগ্রাসী ব্যাটিংটাই আমার শক্তি। সেটা করতেই পছন্দ করি। তাছাড়া অধিনায়কও বলে দিয়েছেন, আমাদের সবাইকে আক্রমণাত্মক খেলতেই হবে!’
রবিবার দুবাইয়ে ভারতের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ দ্বৈরথ। ইতিহাস বলছে, পাক দলকে এ যাত্রায় খেলতে হবে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে। কারণ, ভারত–পাক টি–২০ দ্বৈরথে ১৩ ম্যাচে ১০ বার জিতেছে মেন ইন ব্লু। টানা পাঁচ আন্তর্জাতিক ম্যাচেও শেষ হাসি হেসেছে টিম ইন্ডিয়াই। কিন্তু তবু আঘার বিশ্বাস অটুট—এই পাকিস্তান নাকি যে কাউকে হারাতে পারে!