নোটিসে স্পষ্ট লেখা—এই অবস্থায় গাড়ি চালানো মোটরযান আইন ১৯২ ধারা অনুযায়ী অপরাধ। এমনকি ধারা ২০৭–এর অধীনে কর্তৃপক্ষের হাতে গাড়ি আটক করার ক্ষমতা রয়েছে।

সপরিবারে আকাশ
শেষ আপডেট: 13 August 2025 11:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সেরে ফেলার আগে এবং বাধ্যতামূলক হাই সিকিওরিটি রেজস্ট্রেশন প্লেট (HSRP) না লাগিয়ে নতুন গাড়ি (SUV) নিয়ে রাস্তায় নেমে বিপাকে পড়লেন ক্রিকেটার আকাশ দীপ (Akash Deep)। সোমবার লখনউ আঞ্চলিক পরিবহন দফতর (RTO) তাঁকে নোটিস দিয়ে জানিয়েছে—কাগজে-কলমে যাবতীয় কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত গাড়িটি আর রাস্তায় বের করা যাবে না।
সরকারি নথি অনুযায়ী, হালফ্যাশনের চারচাকাটি বিক্রি হয়েছে ৭ আগস্ট ২০২৫। বিমা ৮ অগস্ট। পরদিন গাড়ির জন্য বরাদ্দ হয়েছে ‘ফ্যান্সি’রেজিস্ট্রেশন নম্বর—UP32 QW 0041। কিন্তু RTO–র পর্যবেক্ষণে অনুযায়ী, পোর্টালে এখনও TR/RC প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। তা ছাড়া গাড়িতে নেই বাধ্যতামূলক হাই সিকিউরিটি রেজিস্ট্রেশন প্লেট (HSRP) ও থার্ড রেজিস্ট্রেশন মার্ক (TRM)। যা মোটরযান আইন, ১৯৮৮–র ৩৯ ও ৪১(৬) ধারা এবং কেন্দ্রীয় মোটরযান বিধি, ১৯৮৯–এর ৫০ নম্বর নিয়মভঙ্গের শামিল।
নোটিসে স্পষ্ট লেখা—এই অবস্থায় গাড়ি চালানো মোটরযান আইন ১৯২ ধারা অনুযায়ী অপরাধ। এমনকি ধারা ২০৭–এর অধীনে কর্তৃপক্ষের হাতে গাড়ি আটক করার ক্ষমতা রয়েছে। আকাশ দীপকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে বা অনুমোদিত প্রতিনিধি পাঠিয়ে সমস্ত নথি—রেজিস্ট্রেশনের প্রমাণ, বিমা, কর প্রদান সংক্রান্ত কাগজ পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুধু টিম ইন্ডিয়ার পেসারকে নয়, চিঁহাট এলাকার যে অটোমোবাইল ডিলারশিপ গাড়িটি সরবরাহ করেছে, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছে RTO। কারণ, HSRP ও TRM ছাড়া গাড়ি ক্রেতার হাতে তুলে দেওয়া নিয়মবিরুদ্ধ। ডিলারশিপকেও ধরানো হয়েছে শোকজ নোটিস। সেখানে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘প্রয়োজনে মোটরযান আইন ১৯২ ও ২০৭ ধারায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’