অগস্ট থেকে পরের বারো মাসে অস্ট্রেলিয়াকে ২১টি টেস্ট খেলতে হবে—দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, ভারত সফর, তারপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের অ্যাশেজ। এরপর ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপে শিরোপারক্ষার লড়াই, যেখানে এই তিন পেসার বড় ভূমিকা নিতে চলেছেন।

মিচেল স্টার্ক
শেষ আপডেট: 20 March 2026 10:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইপিএল (IPL 2026) শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার তিন পেস তারকা—প্যাট কামিন্স, জশ হেজলউড ও মিচেল স্টার্ক—মরসুমের শুরুতে মাঠে থাকবেন না। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (Cricket Australia) তিনজনকেই বিশ্রামে রাখছে। কারণটা সহজ—সামনে একটার পর একটা টেস্ট সিরিজ, ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ। তার আগে এই তিনজনকে সুস্থ ও তরতাজা রাখাটা অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
তিনজনের আলাদা গল্প
প্যাট কামিন্স (Pat Cummins) সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক। সর্বশেষ খেলেছিলেন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাডিলেডে—দুটো ইনিংসে তিনটি করে উইকেট। চোটের কারণে টি-২০ বিশ্বকাপ মিস করেছেন, এখনও পুরোপুরি ফিট নন। তাঁর অনুপস্থিতিতে সানরাইজার্সের অন্তর্বর্তী অধিনায়ক ঈশান কিষাণ।
জশ হেজলউড (Josh Hazlewood) গত বছর আরসিবিকে (Royal Challengers Bengaluru) প্রথম আইপিএল শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন—১২ ম্যাচে ২২ উইকেট। কিন্তু গত বছর নভেম্বরের পর থেকে চোটে। অ্যাশেজ ও টি-২০ বিশ্বকাপ দুটোতেই অনুপস্থিত। তাই সিজনের প্রথম ম্যাচেই হেজলউড ছাড়া মাঠে নামতে হবে আরসিবিকে।
মিচেল স্টার্ক (Mitchell Starc) দিল্লি ক্যাপিটালসের (Delhi Capitals) অন্যতম স্তম্ভ। পাঁচটি অ্যাশেজ টেস্ট ও বিগ ব্যাশ লিগে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলে এসেছেন। টি-২০ থেকে অবসর নেওয়ায় বিশ্বকাপেও ছিলেন না। কিন্তু গত এক বছরে যত বল করেছেন টেস্টে—এক মহম্মদ সিরাজ বাদে বিশ্বের আর কোনও পেসার এত বল করেননি! ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাই সঙ্গত কারণে সতর্ক। দিল্লির প্রথম ম্যাচ ১ এপ্রিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে—স্টার্ক সেটা মিস করবেন।
কী ভাবছে অস্ট্রেলিয়া?
অগস্ট থেকে পরের বারো মাসে অস্ট্রেলিয়াকে ২১টি টেস্ট খেলতে হবে—দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, ভারত সফর, তারপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের অ্যাশেজ। এরপর ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপে শিরোপারক্ষার লড়াই, যেখানে এই তিন পেসার বড় ভূমিকা নিতে চলেছেন।
উল্লেখ্য, আরও এক অজি নাথান এলিস হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে পুরো আইপিএল মরসুম থেকেই ছিটকে গিয়েছেন। পেস বিভাগে এই মুহূর্তে চাপ অনেক। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাই দীর্ঘমেয়াদী টার্গেটকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।