বৈভব বা অন্য কারও সঙ্গে শচীনের তুলনা করা উচিত নয়। কারণ তেন্ডুলকরের মতো প্রতিভা বারবার আসে না। আমার মনে হয় না শচীন তেন্ডুলকরের সঙ্গে কারও তুলনা করা যেতে পারে।
.png.webp)
স্টিভ ওয় এবং বৈভব সূর্যবংশী
শেষ আপডেট: 27 May 2025 17:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Suryavanshi) যাত্রার সঙ্গে তুলনা করা যায় ‘ভিনি-ভিডি-ভিসি’ প্রবাদের। বাস্তবিকই এই কিশোর প্রতিভা আইপিএলের বাইশ গজে এল, দেখল এবং জয় করল। গোটা বিশ্ব এখন বৈভব বন্দনায় মত্ত।
রাজস্থান রয়্যালসের (Rajastha Royals) তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী আইপিএল ২০২৫-এ ব্যাট হাতে যে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা থামছেই না। ক্রিকেটবিশ্বের নক্ষত্ররাও বিহারের ১৪ বছরের এই কিশোরের প্রতিভায় মুগ্ধ।
যদিও বৈভবের দল এই মরশুমে প্লে অফে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তবুও এই মরশুমটি এই কিশোরের জন্য স্মরণীয় ছিল। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার স্টিভ ওয় (Australian Legend Steve Waugh) বৈভবের প্রতি মুগ্ধ, কিন্তু তরুণ ব্যাটারকে নিয়ন্ত্রণের উপর মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বৈভব গুজরাত টাইটান্সের বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে, যা টুর্নামেন্টে কোনও ভারতীয় ব্যাটারের দ্রুততম সেঞ্চুরি। বৈভব ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও নির্বাচিত হয়েছে। রাজস্থানের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের অনুপস্থিতিতে বৈভব সুযোগ পেয়ে তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেছে।
অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক স্টি ওয় নিয়মিত আইপিএল দেখেন না, কিন্তু তিনি সূর্যবংশীকে একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড় হিসাবে বর্ণনা করেছেন। ওয় বলেছেন, বৈভবের উচিত পা মাটিতে রাখা।
স্টিভ বৈভব সম্পর্কে বলেছেন, “ওর বয়স মাত্র ১৪। এখন ওর উপর কোনও চাপ নেই। সম্পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে খেলছে, যা দেখতে ভাল লাগছে। আমার মনে হয়, ওর জন্য চ্যালেঞ্জ হবে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। ও কি একই উৎসাহ নিয়ে খেলতে পারবে, একই স্বাধীনতা নিয়ে ব্যাট করতে পারবে? এটা একটা চ্যালেঞ্জ হবে। বৈভবের দক্ষতা আছে এবং সে মানসিকভাবে শক্তিশালী। আমি চাই তার মতো একজন ব্যাটার সফল হোক। ক্রিকেটের জন্য এটি একটি দারুন গল্প। আমি আইপিএল খুব একটা দেখি না, কিন্তু যখন এরকম (বৈভব) খেলোয়াড় আসে, তখন আমার দেখার ইচ্ছা হয়।”
ভারতীয় ক্রিকেটে সাধারণত নতুন কোনও ব্যাটিং প্রতিভার জন্ম হলেই শচীন তেন্ডুলকরের সঙ্গে তুলনা করা হয়। কিন্তু ওয়াহ বলেন, “বৈভব বা অন্য কারও সঙ্গে শচীনের তুলনা করা উচিত নয়। কারণ তেন্ডুলকরের মতো প্রতিভা বারবার আসে না। আমার মনে হয় না শচীন তেন্ডুলকরের সঙ্গে কারও তুলনা করা যেতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় এসে শচীনের পার্থে সেঞ্চুরি করা, যেটা বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পিচগুলির মধ্যে একটি এবং যেখানে বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই লড়াই করে, তা অবাক করার মতো ছিল।”