বিলিওনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও, আমার মেয়ের বাবা তাঁর অপচয়ের জন্য নিজের জীবন নিয়ে খেলছেন এবং তাঁর প্রেমিকার সন্তানদের অভিজাত স্কুলে শিক্ষিত করছেন।

মহম্মদ সামি ও হাসিন জাহান
শেষ আপডেট: 14 August 2025 19:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্তান কন্যা বলে মহম্মদ সামি (Mohammed Shami) আয়রার ভবিষ্যৎ বিপন্ন (Daughter’s Future) করে তুলেছেন। মেয়ে যাতে নামী স্কুলে ভর্তি হতে না পারে, তার জন্যও সমস্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই ভারতীয় তারকা পেসার। এমনকি সামি নাকি মেয়ের স্কুলের টিউশন ফিজও দিচ্ছেন না। ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে এবার সামির বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ (Allegation) তুললেন প্রাক্তন স্ত্রী হাসিন জাহান (Hasin Jahan)। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, মহিলাদের প্রতি অত্যাধিক আসক্তির জন্যই মেয়ের ভবিষ্যতের দিকে নজর দিচ্ছেন না এই ভারতীয় পেসার। বান্ধবীদের সন্তানদের খরচ চালাতেই তিনি ব্যস্ত।
চোট-আঘাতে এমনিতেই জর্জরিত ভারতের ফাস্টবোলার মহম্মদ সামি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পারিবারিক সমস্যা। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরও সমস্যা কমছে না। একের পর এক অভিযোগ এনেই চলেছেন হাসিন। আদালতের নির্দেশে ভরণপোষণ বাবদ সামির কাছ থেকে প্রতিমাসে চার লক্ষ টাকা করে পান হাসিন। এর মধ্যে আড়াই লক্ষ টাকা মেয়ে আয়রার খরচের জন্য। কিন্তু ২০১৪ সালে বিয়ে হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই যে বিরোধের শুরু হয়েছিল, তার থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।
হাসিন জাহান ইনস্টাগ্রামে মেয়ে সায়রার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে স্কুল ইউনিফর্মে রয়েছে সায়রা। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, তাঁর মেয়ে একটি ভাল আন্তর্জাতিক স্কুলে ভর্তি হয়েছে। তিনি লিখেছেন, “শত্রুরা চায়নি আমার মেয়ে একটি ভাল স্কুলে ভর্তি হোক, কিন্তু ভগবান তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছেন এবং সে একটি খুব ভাল আন্তর্জাতিক স্কুলে ভর্তি হয়েছে।”
হাসিন জাহান আরও অভিযোগ করেছেন, সামি তাঁর বান্ধবীদের এবং তাঁদের সন্তানদের পিছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। এর মধ্যে রয়েছে বিজনেস ক্লাসের বিমান এবং ব্যয়বহুল স্কুলে ভর্তি। তিনি আরেকটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, “বিলিওনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও, আমার মেয়ের বাবা তাঁর অপচয়ের জন্য নিজের জীবন নিয়ে খেলছেন এবং তাঁর প্রেমিকাদের সন্তানদের অভিজাত স্কুলে শিক্ষিত করছেন। তিনি কিছু প্রেমিকার জন্য বিজনেস ক্লাসের বিমানে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করেন, কিন্তু বলেন যে নিজের দশ বছরের মেয়ের পড়াশোনার জন্য তাঁর কাছে টাকা নেই।”