Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

প্রয়াত বব সিম্পসন, ক্রিকেট ইতিহাসের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি

সিম্পসনের কেরিয়ার দীর্ঘ ও গৌরবময়। ১৯৫৭ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে ৬২টি টেস্ট খেলে ৪৬.৮১ গড়ে ৪,৮৬৯ রান করেছেন এবং ৭১টি উইকেট নিয়েছেন। তিনিই অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পূর্ণকালীন কোচ।

প্রয়াত বব সিম্পসন, ক্রিকেট ইতিহাসের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 16 August 2025 09:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের কিংবদন্তি (Former Australian cricketer) বব সিম্পসন (Bob Simpson) শনিবার সিডনিতে ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (Passes away)। প্রাক্তন অধিনায়ক ও কোচ হিসেবে (Captain and Coach) সিম্পসন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

সিম্পসনের কেরিয়ার দীর্ঘ ও গৌরবময়। ১৯৫৭ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে ৬২টি টেস্ট খেলে ৪৬.৮১ গড়ে ৪,৮৬৯ রান করেছেন এবং ৭১টি উইকেট নিয়েছেন। তিনিই অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পূর্ণকালীন কোচ।

১৯৬৮ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও, ১৯৭৭ সালে কেরি প‍্যাকারের বিশ্ব সিরিজ বিতর্কের সময় জাতীয় প্রয়োজনে সিম্পসন আবার ফিরে আসেন। অধিনায়কত্বে তার ১০টি টেস্ট শতরান, একটি ত্রিশতরান এবং দুটি দ্বিশতরান উল্লেখযোগ্য।

প্রাক্তন ওপেনারের অধিনায়কত্বে ১৯৮৬ সালে অস্ট্রেলিয়া জয়ের মুখ দেখেনি। সিম্পসন, আলান বর্ডারের সঙ্গে মিলে দলের সংস্কৃতি বদলে দেন। ডেভিড বুন, ডিন জোন্স, স্টিভ ওয়া, ক্রেগ ম‍্যাকডারমট, মার্ভ হিউজদের নেতৃত্বে দল পুনর্জাগরণ লাভ করে। ১৯৮৭ সালে ইডেনে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় অস্ট্রেলিয়া।

নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর, মার্ক টেলর, ইয়ান হিলি, মার্ক ওয়া, জাস্টিন ল‍্যাঙ্গার, শেন ওয়ার্ন, ম‍্যাথু হেডেন, গ্লেন ম‍্যাকগ্রা, রিকি পন্টিংদের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের সোনালি যুগ শুরু হয়। ১৯৮৯ সালে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার, ১৯৯৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হারানো—এই সবই তার কোচিং ও নেতৃত্বের প্রমাণ।

১৯৯৬ সালে কোচের দায়িত্ব থেকে সরে গেলেও, সিম্পসনের অবদান অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকল। তাঁর প্রয়াণে গোটা ক্রিকেটবিশ্ব শোকাহত।


```