পাতা ফাঁদে এভাবে ধরা দেন ‘ভুয়ো’ কনওয়ে! কারণ, অশ্বিন কাউকেই ব্যাট ধার কিংবা কিনে দেননি। ফলে এটা যে ফেক অ্যাকাউন্ট, সেটা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।

আর অশ্বিন
শেষ আপডেট: 12 August 2025 12:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনুরাগীর ফোনে ক্রিকেট তারকার সিম কোনওভাবে চলে এলে তার ফল কী দাঁড়াতে পারে, দিনকয়েক আগে তা হাড়েহাড়ে টের পেয়েছেন রজত পাটিদার (Rajat Patidar)। ভুক্তভোগী বিরাট কোহলি (Virat Kohli) থেকে এবি ডিভিলিয়ার্স (AB De Villiers)।
ছত্তীসগড়ের এক কিশোর মনীশ, মুদির দোকান চালায় সে, গত ২৮ জুন নতুন সিম কিনে আনে। ঘটনাচক্রে যা একসময় ব্যবহার করতেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাটিদার। তিনি নিষ্ক্রিয় করে রাখায়, ৯০ দিন পেরনোর পর নিয়মমাফিক সেই সিম চলে যায় অন্য এক ব্যবহারকারীর হাতে। ঘটনাচক্রে মনীশই সেই ভাগ্যবান। তারপর তাঁর মোবাইলে আসতে থাকে দুনিয়াজুড়ে তারকা ক্রিকেটারদের ফোন, মেসেজ। কারও সঙ্গে রসিকতায় মেতে ওঠে সে, কাউকে দিতে থাকে ভুয়ো পরিচয়! পরে পুলিশ ডেকে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে পুরনো সিম উদ্ধার করেছেন রজত।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রায় এমনই এক উৎপাতের ঘটনার উল্লেখ করেছেন প্রাক্তন বোলার রবিচন্দ্র অশ্বিনও (R. Ashwin)। জানিয়েছেন, কীভাবে এক ভুয়ো নম্বর থেকে তাঁর ফোনে ঢুকেছিল মেসেজ। যিনি নিজেকে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার ডেভন কনওয়ে (Devon Conway) বলে দাবি করেন। গোড়ায় তেমন সন্দেহ না হলেও সংশয় দানা বাঁধে কিছুক্ষণ পর। যখন ডেভন নামধারী ওই ব্যক্তি বিরাট কোহলির ফোন নম্বর চান।
এতে খচখচানি বাড়লেও অকাট্যভাবে তো কিছু প্রমাণ করা যায় না। তাই পরীক্ষা করতে অশ্বিন সওয়াল ছুড়ে দেন, ‘তোমায় যে ব্যাটটা দিয়েছিলাম, সেটা ঠিকঠাক আছে তো?’
জবাব আসে: ‘বিলক্ষণ!’
পাতা ফাঁদে এভাবে ধরা দেন ‘ভুয়ো’ কনওয়ে! কারণ, অশ্বিন কাউকেই ব্যাট ধার কিংবা কিনে দেননি। ফলে এটা যে ফেক অ্যাকাউন্ট, সেটা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যায়। অশ্বিনকে অবশ্য সে যাত্রা পুলিশ ডাকতে হয়নি। কালবিলম্ব না করে নম্বর ব্লক করে উদ্ধার পান।