Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

ইংল্যান্ড-ভারত টেস্ট সিরিজ প্রিভিউ: কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে?

যদিও এবারের ব্রিটিশ সামার অনেকটাই উষ্ণ অন্যবারের থেকে, তথাপি এটা ধরে নেওয়া অমূলক হবে যে ভারতীয় বোলাররা ২০ উইকেট তিনবার তুলে নিয়ে ৩-২ / ৩-১ সিরিজ জিতবে।

ইংল্যান্ড-ভারত টেস্ট সিরিজ প্রিভিউ: কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে?

শুভমান গিল-বেন স্টোকস

শেষ আপডেট: 20 June 2025 13:44

রাহুল দাস 

বহু প্রতীক্ষিত সেই সিরিজটি এবার শুরু হতে চলেছে। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫-২৭ নতুন সাইকলের প্রথম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মেগা সিরিজ। ৫ টেস্টের এই সিরিজের তাপ-উত্তাপ নিতে টিভির সামনে কোটি কোটি দর্শক বসবেন। চলুন দেখে নেওয়া যাক কেন এত কথা হচ্ছে এই সিরিজ নিয়ে।

২০১১-র পর এই প্রথম ভারতের হয়ে খেলতে দেখা যাবে না তিন মেগাস্টারকে--রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি । অশ্বিন গত অস্ট্রেলিয়া সফরের মধ্যে আচমকা অবসর নিয়ে ফেলেন এবং ‘রো-কো’ জুটি ঠিক ইংল্যান্ড দল নির্বাচনের আগে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন। আমরা এখন এই তিন মেগাস্টারের অবসর নিয়ে কাটাছেঁড়া না করে বরং এই সিরিজে ভারতের সম্ভাবনা এবং ইংল্যান্ড দল নিয়ে কথা বলব।

আমরা আগে একবার দেখে নেব ভারত এখনও অবধি ইংল্যান্ড সফরে কী করেছে - ১৯৩২ সালের সেই প্রথম সফর থেকে ধরলে - ভারত এখনও অবধি ১৮টি সিরিজ খেলেছে ইংল্যান্ডে- জিতেছে ৩, হেরেছে ১৩, ড্র দুটি সিরিজ! টেস্টের খতিয়ান দেখলে ভারত ৬৭ টেস্ট খেলেছে ইংল্যান্ডে, জিতেছে ৯, হেরেছে ৩৬, ড্র ২২ টি টেস্ট । এই পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে যে ইংল্যান্ড ভারতের পক্ষে এক অত্যন্ত কঠিন জমি যেখানে উর্বর চাষ করতে বিগত ৯৩ বছর ভারতকে অনেক মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে। এবারের সফর কেন এত চ্যালেঞ্জিং এবং তাৎপর্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ করার আগে চলুন দেখে নেওয়া যাক ভারত যে কটি গ্রাউন্ডে খেলবে সেখানে ভারতের বিগত পারফরমেন্স।

ভারত এই সিরিজে ৫ টি টেস্ট খেলবে - হেডিংলে , এজবাস্টন, লর্ডস , ওল্ড ট্র্যাফোর্ড এবং ওভালে । হেডিংলে তে ভারত ৭ টি টেস্ট খেলেছে -  জয় দুটি তে , হার ৪টি , ড্র ১। এজবাস্টনে ভারত ৮টি টেস্ট খেলেছে - হার ৭ টি ম্যাচে , ড্র ১ । ( এখানে ভারত কোনও ম্যাচ জেতেনি )। ক্রিকেটের মক্কা লর্ডসে ভারত ১৯ টি টেস্ট খেলেছে - ৩ টি জিতেছে , ১২ টি হেরেছে ৪ টি ড্র । ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ভারত খেলেছে ৯ টি ম্যাচ - হেরেছে ৫, ড্র ৪ ( এখানেও ভারত কোনও ম্যাচ জেতেনি)। শেষ যে গ্রাউন্ডে টেস্ট ম্যাচ খেলবে ভারত সেই ওভালে ভারত এখন অবধি ১৪ টি ম্যাচ খেলেছে - ২ টি টেস্ট জিতেছে , ৫ টি হেরেছে এবং ৭ টি ম্যাচ ড্র করেছে । তাহলে দেখা যাচ্ছে ভারতের কাছে ইংল্যান্ড খুব একটা সুখকর অভিজ্ঞতা নয় । মাত্র তিনজন অধিনায়ক ইংল্যান্ড থেকে টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরতে পেরেছেন - ১৯৭১ এ অজিত ওয়াদেকার , ১৯৮৬ কপিলদেব , ২০০৭ রাহুল দ্রাবিড়।

এইবার আমরা চলে আসব আসল পর্যালোচনায় - সংখ্যাতত্ত্বর কচকচি অনেক হল।

ভারতের তরুণ এবং সুদর্শন অধিনায়ক শুভমান গিলের কাছে এই সিরিজ অত্যন্ত সংঘর্ষ্যপূর্ণ এবং কঠিন হতে চলেছে, কোনও সন্দেহ নেই। প্রায় দু’দশক ধরে ভারতের ব্যাটিংয়ের কাণ্ডারী বিরাট কোহলির বিরাট ছাতা এবং রোহিত শর্মার মাঠে ক্ষুরধার উপস্থিতি এবার পাওয়া যাবে না - সঙ্গে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো বিশ্বমাপের বোলার নেই । ভারতের এই টিমে অভিজ্ঞতা বলতে ব্যাটিংয়ে কেএল রাহুল এবং ঋষভ পন্থ এবং বোলিংয়ে জসপ্রীত বুমরাহ এবং রবীন্দ্র জাদেজা । তাও বুমরাহ সিরিজের আগে বলেই রেখেছেন তিনি ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট করবেন এবং ৩ টি টেস্ট খেলবেন যাতে অস্ট্রেলিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। অত্যন্ত অনভিজ্ঞ এই ব্যাটিং লাইন আপ নিয়ে গিল কীরকম লড়াই করেন তা দেখার জন্য সারা পৃথিবী উন্মুখ হয়ে থাকবে।

ব্যাটিং লাইন আপ ভারতের অন্যতম সমস্যা - রোহিত এবং বিরাটের অবসর । দীর্ঘ দেড় দশকের প্রায় ২০০ টেস্টের অভিজ্ঞতা একদিনে পূরণ করা অসম্ভব । তার ওপর গিল কোথায় ব্যাটিং করবেন সেটা এখন গোদের ওপর বিষফোড়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক পক্ষের মতবাদ - দলের অধিনায়ক কে ৪ নম্বরে ব্যাট করা উচিত - যে জায়গায়  দীর্ঘ ৩ দশক সচিন এবং কোহলি ব্যাট করেছেন।

অন্য পক্ষের মতবাদ - গিল সারাজীবন ওপেন করে এসেছেন তার উচিত তার স্বাভাবিক জায়গায় ওপেন করা - ক্রিকেটের এটা অবিসংবাদী নিয়ম, দল নতুন এবং অনভিজ্ঞ হলে সবথেকে অভিজ্ঞ ব্যাটারকে ৪ নম্বরে পাঠানো উচিত কারণ প্রথম দিকে উইকেট পড়ে গেলে ৪ নং ব্যাটসম্যান হাল ধরতে পারবেন। এই প্রতিবেদকেরও তাই ব্যক্তিগত মতামত কিন্তু এই লেখা মুদ্রণে যাবার সময় অবধি যা খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে জয়সওয়াল এবং রাহুল ওপেন করবেন, সুদর্শন ৩ এবং অধিনায়ক গিল ৪।

যদিও বিগত এক বছর গিল ৩ নম্বরে খেলেছেন তাও সারাজীবন যিনি ওপেন করেছেন এমন একজন স্বাভাবিক ওপেনারকে ৪ নং-এ পাঠানোর যৌক্তিকতা একমাত্র কোচ গম্ভীর বলতে পারবেন । ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে এই  দীর্ঘ মনান্তর এই নতুন দলকে যে  অক্সিজেন জোগান দেবে না তা বলাই বাহুল্য । আমরা কেবল আশা করতে পারি যে লোকেশ রাহুল তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দ্বারা ওপেনিং-এর সমস্যা মেটাতে পারবেন। গিলের মতো তিনিও ওপেনিং দিয়ে জীবন শুরু করে দীর্ঘদিন মিডল অর্ডারে ব্যাট করে আবার দলের প্রয়োজনে ওপেন করতে চলেছেন। এর ওপরে যোগ হতে চলেছে টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে গিলের অনভিজ্ঞতা। ৩৫ টি টেস্ট খেলা গিল একদিনের আন্তর্জাতিকে অসাধারণ রেকর্ডের অধিকারী হলেও টেস্ট ম্যাচে তিনি এখনও অপরিহার্য নন। সদ্যসমাপ্ত অস্ট্রেলিয়া সফরের একটি টেস্টে তিনি বাদ পড়েছিলেন - ৩৫ টেস্টে তার গড় ৩৫, একেবারেই সমীহ উদ্রেককারী নয়। টেস্ট দলে অপরিহার্য নন এমন একজন কে টেস্ট অধিনায়ক করা হল কেন এ নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠলেও, জসপ্রীত বুমরাহ মাত্র ৩ টি টেস্ট খেলবেন এটা পরিষ্কার হয়ে যাওয়ামাত্র নির্বাচকদের  হাতে আর কিছু ছিলো না কারণ ঋষভ পন্থকে যে অধিনায়ক করা হবে না এটা প্রত্যাশিত ছিল।

যশস্বী জয়সওয়াল তার ক্রিকেট কেরিয়ার দুরন্তভাবে শুরু করলেও নিম্নগামী ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিরুদ্ধে দুরন্ত শতরান এবং পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শতরান ছাড়া তার সমস্ত দাদাগিরি দেশের মাঠে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে তিনি ব্যর্থ - ইংল্যান্ডের মাঠে তিনি কেমন খেলেন দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন সবাই। ভারতের ইনিংস শুরু করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অপরিসীম । এই সিরিজ তার জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ এবং এখানে সসম্মানে উত্তীর্ণ হলে বলাই বাহুল্য তিনি এখন তরুণ সুপারস্টারের সম্মান পাবেন।

আমরা যদি বোলিং-এর দিকে তাকাই - অপেক্ষাকৃত কম সমস্যায় জর্জরিত ভারতের বোলিং। ভারতের প্রধান অস্ত্র বুমরাহ ৫ টির মধ্যে ৩ তিনটি টেস্ট খেললেও এবং মোহম্দ শামি দলে না থাকলেও – মহম্মদ সিরাজ , প্রসিধ কৃষ্ণা, আকাশদীপ এবং আরশদীপ সিং এবং সিমিং অলরাউন্ডার শার্দুল ঠাকুর এবং নীতিশ রেড্ডি সম্মিলিত ভারতের পেস অ্যাটাক ইংল্যান্ডের অত্যন্ত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাটিং লাইন আপকে কড়া প্রতিযোগিতার সামনে ফেলবে আশা করা যাচ্ছে। আকাশদীপ অস্ট্রেলিয়ায় বেশ ভালো বল করেছেন এবং নবাগত আরশদীপ সারপ্রাইস ফ্যাক্টর হতে পারেন মনে করা হচ্ছে। এই সিরিজ টি ইংল্যান্ডের ব্যাটিং বনাম ভারতের বোলিং এই দ্বৈরথ হিসেবে দেখতে চাইছেন অনেকে।

আমরা যদি এবার ইংল্যান্ড টিমের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাব যে তাদের ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের অপূর্ব মিশেল আছে । ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে জ্যাক ক্রলি এবং বেন ডাকেট বিশ্বের যেকোনো তাবড় বোলারদের ঘুম কেড়ে নিতে পারেন। বেন ডাকেট এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনিং ব্যাটার। বেন স্টোকস এবং ব্রেন্ডন ম্যাকুলাম উদ্ভাবিত বাজবল থিওরির অন্যতম প্রধান রূপকার বেন ডাকেট - ২০২৩ জুন মাসে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা তার ১৮২ এখনও লোকের মুখে মুখে ঘোরে।  ব্যাটিং অর্ডারে এরপর  অলি পোপ বা নতুন তারকা জ্যাকব বেথেল কে দেখতে পাওয়া যেতে পারে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজে জন্মানো বেথেলকে নিয়ে ইংলিশ প্রেস এবং ইংল্যান্ডের জনসাধারণের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা । অনূর্ধ্ব ১৯ ইংল্যান্ড টিমের হয়ে সারা জাগানো বেথেল ভবিষ্যতে ইংল্যান্ডের তারকা হয়ে উঠবেন কিনা সময় বলবে । কিন্তু ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপ যে ভারতের থেকে অনেক শক্তিশালী এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না । ইংল্যান্ড এর মিডল অর্ডার ভারতের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী - হ্যারি ব্রুক , বেন স্টোকস, ক্রিস ওয়াকস , জেমি স্মিথ এই চারজন ভারতের বোলিং লাইন আপকে চিন্তায় রাখবে এ বিষয় কোনও সন্দেহ নেই । বেন স্টোকস এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটের এমন একজন অলরাউন্ডার যিনি যে কোনও মুহূর্তে  যে কোনও ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন।

যে বিভাগে ইংল্যান্ড ভারতের থেকে দুর্বল মনে করা হচ্ছে সেই পেস বোলিং বিভাগে - জেমস অ্যান্ডারসন , স্টুয়ার্ট ব্রডের অবসর এবং মার্ক উড এবং জোফরা আর্চারের অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের বর্তমান পেসার রা যে দুর্বল এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই । স্যাম কুক , ব্রাইডন কার্স , জশ টঙ্গ এবং জ্যামি ওভারটন  অভিজ্ঞতায় তাদের পূর্বসূরিদের থেকে অনেক পিছিয়ে । কোনও সন্দেহ নেই এই সিরিজে লড়াই হবে ইংলিশ ব্যাটিং বনাম ভারতীয় বোলিং। ম্যান টু ম্যান আমরা যদি বিচার করি তাহলে ঘরের মাঠে ইংরেজ র নিঃসন্দেহে অনেক টাই এগিয়ে।

যদিও এবারের ব্রিটিশ সামার অনেকটাই উষ্ণ অন্যবারের থেকে, তথাপি এটা ধরে নেওয়া অমূলক হবে যে ভারতীয় বোলাররা ২০ উইকেট তিনবার তুলে নিয়ে ৩-২ / ৩-১ সিরিজ জিতবে। আমরা ভারতীয় হিসেবে অবশ্যই চাইব ভারত নতুন অধিনায়কের তত্ত্বাবধানে সিরিজ জিতুক কিন্তু রূঢ় বাস্তব সত্য হল এই সিরিজ বার করতে হলে যে ব্যাটিং দরকার সেই ব্যাটিং ভারতের নেই। 

অলৌকিক কিছু না ঘটলে ভারতের পক্ষে সিরিজ জেতা সম্ভব নয়।

সিরিজ ভবিষ্যৎবাণী: ইংল্যান্ড ৩ ভারত ১ / ইংল্যান্ড ৩ ভারত ২ / ইংল্যান্ড ৪ ভারত ১।


```