শতরান করামাত্র হেলমেট খুলে, ব্যাট রেখে ট্রেডমার্ক ফ্রন্ট ফ্লিপ দেখান ঋষভ। যা ইদানীং তাঁর সিগনেচার সেলিব্রেশনে পরিণত হয়েছে।

ঋষভ ও গাভাসকার
শেষ আপডেট: 21 June 2025 18:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অস্ট্রেলিয়ায় ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট ছুড়ে যখন ড্রেসিং রুমে ফিরে আসছেন ঋষভ পন্থ, তখন কমেন্ট্রি বক্সে বসে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি সুনীল গাভাসকার। রাগের মাথায়, হতাশার ঘোরে বলে বসেন: ‘স্টুপিড! স্টুপিড! স্টুপিড!’
ময়দান বদলে গিয়েছে। ইতিমধ্যে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ঘরে এনেছে ভারতীয় দল। শেষ হয়েছে আইপিএলের মরশুমও। যেখানে লখনউ সুপার জায়ান্টসের জার্সিতে মোটেও সুবিধে করতে পারেননি ২৮ কোটির ব্যাটসম্যান। রান পাননি, লুজ বলে আউট হয়েছেন, নিজেকে ক্রমশ গুটিয়ে নিয়েছেন… তাতেও ফল হয়নি।
দুঃস্বপ্নের মরশুম শেষ করে অবশেষে ফিরে এসেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। লড়াই লাল বলের ক্রিকেটে। খেলা ইংল্যান্ডের জমিতে। বাড়তি দায়িত্ব পেয়েছেন ঋষভ। টিম ইন্ডিয়ার সহ-অধিনায়ক তিনি। গতকাল ক্রিজে নামেন। দিনের শেষে অর্ধশতরান করেন। অপরাজিত থাকেন। আজ মাঠে নেমে গিয়ার বদলান। কাল স্থৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছিলেন। আজ আগ্রাসনের। ফের চেনা মেজাজে ঋষভ পন্থ। শোয়েব বাশিরকে লং অনের উপর দিয়ে ছক্কা মেরে যখন শতরান সম্পূর্ণ করলেন তখন দল বড় রানের রাস্তায় অনেক দূর এগিয়ে।
শতরান করামাত্র হেলমেট খুলে, ব্যাট রেখে ট্রেডমার্ক ফ্রন্ট ফ্লিপ দেখান ঋষভ। যা ইদানীং তাঁর সিগনেচার সেলিব্রেশনে পরিণত হয়েছে।
ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করা নিয়ে আজ অবশ্য কোনও বকা দেননি সুনীল গাভাসকার। সেই মুহূর্তে যিনি কমেন্ট্রি বক্সে মাইক হাতে বসেছিলেন। শতরান সম্পূর্ণ হতেই রাগ নয়, অনুরাগের বশেই সানি বলে ওঠেন, ‘সুপার্ব! সুপার্ব! সুপার্ব!’
উল্লেখ্য, গতকালের খেলা শেষ হতেই গাভাসকার ঋষভের ইনিংসের প্রশংসা করেন। বলেন, ‘বুঝেশুনে ইনিংস সাজিয়েছে পন্থ। থিতু হতে সময় নিয়েছে। কিন্তু একবার যখন ছন্দে এসেছে, বোলাররা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, তখনই বেরিয়েছে খোলস ছেড়ে। শুরু করেছে আক্রমণ।’
সেই আক্রমণ ‘বিস্ফোরক’ হলে কেমন আকার নিতে পারে, আজ তার নমুনা দেখল ইংরেজ বাহিনী।