বিসিসিআই বিশ্বাস করে, মরকেল দলের কোনও বোলারকে উন্নতি করতে সাহায্য করেননি। পাশাপাশি দুশখাতে সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি ঠিক কী কাজ করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রায়ান টেন দুশখাতে ও মরনি মরকেল
শেষ আপডেট: 28 July 2025 14:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংল্যান্ড-ভারত চলতি টেস্ট সিরিজের (England vs India Test Series) চারটি ম্যাচ হয়ে গিয়েছে। ভারত পিছিয়ে ১-২ ব্যবধানে। ম্যাঞ্চেস্টারে অনুষ্ঠিত চতুর্থ টেস্টে ভারতের হার বেঁচেছে দুই অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা ও ওয়াশিংটন সুন্দরের দৃঢ়তায়। তবে চলতি সিরিজে ভারতের পারফরম্যান্স এখন আতস কাচের তলায়। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দেখিয়ে অনেকেই নজর কাড়লেও, দলগত ক্ষেত্রে খামতি রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সব থেকে বেশি আলোচনা হচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার বোলিং বিভাগ নিয়ে। জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ ও আকাশদীপ নজর কাড়লেও বোলারদের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এরই মধ্যে জানা গেল, ভারতের বোলিং কোচ মর্নি মরকেল (Morne Morkel) এবং সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতের (Ryan ten Doeschate) ভূমিকা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারতী ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI)।
দ্য টেলিগ্রাফের মতে, বিসিসিআই ২০২৫ সালের এশিয়া কাপের পরে এবং অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজের আগে এই দুই জনকে বরখাস্ত করার বিষয়ে অনড়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্ত সিরিজের বাকি দু’টি টেস্টে ভারতের পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করবে না (ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে চতুর্থ টেস্ট চলাকালীন এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়)।
দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিসিসিআই বিশ্বাস করে, মরকেল দলের কোনও বোলারকে উন্নতি করতে সাহায্য করেননি। পাশাপাশি দুশখাতে সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি ঠিক কী কাজ করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গত বছর যখন গৌতম গম্ভীরকে (Gautam Gambhir) টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ হিসাবে নিযুক্ত করা হয়, তখন তিনি মুম্বইয়ের অভিষেক নায়ারের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার মরকেল এবং নেদারল্যান্ডসের দুশখাতেকে তাঁর সাপোর্ট স্টাফে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেন। গম্ভীর লখনউ সুপার জায়ান্টসে মরকেলের সঙ্গে এবং নায়ার ও দুশখাতের সঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্সে কাজ করেছিলেন। সহকারী কোচ হিসাবে নিযুক্ত নায়ারকে এই বছরের শুরুতে ২০২৪-২৫ বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির পরে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট শেষ হওয়ার আগে গম্ভীরের নেতৃত্বে এই কোচিং ইউনিট ১৩টি টেস্টের মধ্যে চারটিতে জিতেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিসিআই দলে বড় ধরনের পরিবর্তন এড়াতে গম্ভীরকে আরও সময় দিতে ইচ্ছুক। এতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান অজিত আগারকর এবং ইংল্যান্ডে দলের সঙ্গে থাকা পূর্বাঞ্চলের নির্বাচক প্রতিনিধি শিবসুন্দর দাসও বিসিসিআইয়ের রাডারে রয়েছেন।
দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, দল নির্বাচন নিয়েও বিসিসিআই সন্তুষ্ট নয়। যার মধ্যে স্পিনার কুলদীপ যাদবের অনুপস্থিতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ উইনার হিসাবে বিবেচিত কুলদীপ এখনও পর্যন্ত সিরিজে একটিও টেস্ট খেলেননি। অন্যদিকে ম্যানেজমেন্ট ব্যাটিং ডেপথ বাড়াতে অলরাউন্ডারদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে।