১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। উইকেটে ছিল অনিয়মিত বাউন্স ও গতি। সেই সুযোগ কাজে লাগান নিউজিল্যান্ড পেসাররা।

দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ আপডেট: 17 March 2026 16:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম ম্যাচে হার। তারপরই দাপুটে প্রত্যাবর্তন। দ্বিতীয় টি–২০ ম্যাচে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ড (New Zealand) ৬৮ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে (South Africa)। এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ এখন সমতায় (১–১)। হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে (Seddon Park, Hamilton) টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৭৫/৬ তোলে কিউয়িরা। জবাবে মাত্র ১৫.৩ ওভারে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায় প্রোটিয়া বাহিনী।
কনওয়ের দুরন্ত ইনিংস
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে ভরসা জোগান ওপেনার ডেভন কনওয়ে (Devon Conway)। ৪৯ বলে ৬০ রান করেন তিনি। ইনিংসের শুরুতে উইকেট কিছুটা মন্থর দেখালেও কনওয়ে ধৈর্য ধরে খেলে ইনিংসকে গড়ে তোলেন। তাঁকে সঙ্গ দেন জশ ক্লার্কসন (Josh Clarkson)—২৬ রান, নিক কেলি (Nick Kelly)—২১ এবং অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার (Mitchell Santner)—২০ রান করেন।
শেষদিকে দ্রুত রান তুলে ১৭৫-এ পৌঁছে যায় কিউয়িরা। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে উইয়ান মুল্ডার (Wiaan Mulder) দুটি উইকেট নেন। জর্জ লিন্ডে (George Linde), কেশব মহারাজ (Keshav Maharaj), ওটনিল বার্টম্যান (Ottneil Baartman) ও জেরাল্ড কোয়েৎজি (Gerald Coetzee) একটি করে।
ফার্গুসন–সিয়ার্সের স্পেলে ধস
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। উইকেটে ছিল অনিয়মিত বাউন্স ও গতি। সেই সুযোগ কাজে লাগান নিউজিল্যান্ড পেসাররা। লকি ফার্গুসন (Lockie Ferguson) ও বেন সিয়ার্স (Ben Sears)—দু’জনেই তিনটি করে উইকেট নেন। তাঁদের গতির সামনে টিকতে পারেননি প্রোটিয়া ব্যাটাররা। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার (Mitchell Santner) নেন ২টি, এ ছাড়া কোল ম্যাককনচি (Cole McConchie) ও জেমস নিশাম (James Neesham) একটি করে উইকেট পান।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ রান জর্জ লিন্ডের (George Linde)—৩৩। এরপর রুবিন হারম্যান (Rubin Hermann) ১৯। উইয়ান মুল্ডার (Wiaan Mulder) ১৬ রান করেন। নিয়মিত উইকেট পড়ায় কখনও ম্যাচে ফিরতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। উল্লেখযোগ্য বিষয়, দলের সব ১০টি উইকেটই এসেছে ক্যাচ থেকে।
সিরিজে ফের উত্তেজনা
এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ এখন ১–১। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে নিউজিল্যান্ড (New Zealand)। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) সামনে কড়া চ্যালেঞ্জ—পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানো। তিন দিনের মধ্যেই তৃতীয় ম্যাচ। সেখানেই ঠিক হবে, সিরিজে এগিয়ে যাবে কোন দল।