আজ, পঞ্চম দিনের সকালে অ্যান্টি ক্লাইম্যাক্স জমেনি। অন্ধ্রর দ্বিতীয় ইনিংস থেমেছে ২৪৪-এ। ইনিংসের ব্যবধানে জয়। যার সুবাদে বাংলার নাম উঠল শেষ চারের তালিকায়।

সুদীপ ঘরামি
শেষ আপডেট: 10 February 2026 15:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাজটা কঠিন ছিল না। প্রথম ইনিংসেই ম্যাচ মোটামুটি শেষ করে দিয়েছিল বাংলা (Bengal)। পঞ্চম দিনের সকাল কার্যত আনুষ্ঠানিকতা। শেষ পর্যন্ত তা-ই হল। অন্ধ্রপ্রদেশকে (Andhra Pradesh) ইনিংস ও ৯০ রানে হারিয়ে রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy 2025–26) সেমিফাইনালে মহম্মদ সামিরা।
জয়ের ভিত তৈরি হয়েছিল আগেই। প্রথম ইনিংসে ৬২৯ রানের পাহাড়। কেন্দ্রে একটাই নাম—সুদীপ ঘরামি (Sudip Gharami)। করলেন ২৯৯। মাত্র এক রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি হাতছাড়া। কিন্তু ম্যাচের স্কোরলাইনের দিকে তাকালে বোঝা যায়, ওই এক রানে আদৌ কিছু বদলায়নি। কোয়ার্টার ফাইনালের আসল নায়ক একমাত্র সুদীপ-ই!
অন্ধ্রপ্রদেশ প্রথম ইনিংসে থেমেছিল ২৯৫-এ। ফলো-অন বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয় ইনিংসেও চাপ থেকে বেরতে পারেনি তারা। শুরু থেকেই উইকেট পড়েছে নিয়ম করে। লাঞ্চের আগেই ম্যাচ কার্যত বাংলার পকেটে। একটা সময় অন্ধ্রের ইনিংসের একমাত্র আশার আলো ছিলেন নীতীশ কুমার রেড্ডি (Nitish Kumar Reddy)। লড়াকু ৯০-এ আপ্রাণ চেষ্টা চালান। একা হাতে ম্যাচ বাঁচানোর চেষ্টা। কিন্তু সঙ্গী পাননি। একের পর এক উইকেট পড়েছে অন্য প্রান্তে। শেষ পর্যন্ত তাঁর ইনিংসও শুধু স্কোরকার্ডের নথি হয়েই থমকে গেল।
বোলিংয়ে দিনের নায়ক শাহবাজ আহমেদ (Shahbaz Ahmed)। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট। লাইন-লেন্থে ধারাবাহিক চাপ। অন্ধ্রের ব্যাটিং লাইন আপ মিডল অর্ডারে ভেঙে ফেলার মূল কারিগর তিনিই। আজ বলে নয়, গোটা ম্যাচ জুড়েই বাংলার বোলাররা নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। আলাদা করে নজর কেড়েছেন মহম্মদ সামি (Mohammed Shami)। উইকেট বেশি না পেলেও প্রথম ইনিংসে তাঁর ৩৩ বলে ৫৩ রানের ইনিংস বাংলার রানের অঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। অন্ধ্রর কাজটা তখনই অসম হয়ে গিয়েছিল।
আজ, পঞ্চম দিনের সকালে অ্যান্টি ক্লাইম্যাক্স জমেনি। অন্ধ্রর দ্বিতীয় ইনিংস থেমেছে ২৪৪-এ। ইনিংসের ব্যবধানে জয়। যার সুবাদে বাংলার নাম উঠল শেষ চারের তালিকায়।