Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

‘ভারতকে টি-২০ বিশ্বকাপে হারানো পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত’: বাবর আজম

ভারত–পাকিস্তান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন অধ্যায় আরও যোগ হবে। তবে বাবরের কাছে ২০২১ সালের সেই রাত—আজও তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত।

‘ভারতকে টি-২০ বিশ্বকাপে হারানো পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত’: বাবর আজম

বাবর ও বিরাট

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 28 November 2025 16:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেরিয়ারের ইতি টানেননি। তবু পাকিস্তান ক্রিকেটে তাঁর নাম এখনই কিংবদন্তির সারিতে। এহেন বাবর আজমের (Babar Azam) কাছে সবচেয়ে গর্বের স্মৃতি একটাই—২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের (India) বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয়। ইংল্যান্ডের (England) প্রাক্তন তারকা কেভিন পিটারসেনের (Kevin Pietersen) ইউটিউব শো ‘দ্য সুইচে’ পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার একেবারে খোলামেলাভাবে জানান, অধিনায়ক হিসেবে ভারতকে হারানোই তাঁর কেরিয়ারের ‘সবচেয়ে নির্ণায়ক মুহূর্ত!’

দুবাইয়ে গ্রুপ-পর্বে পাকিস্তান প্রথমবার বিশ্বকাপে ভারতকে পরাস্ত করে ১০ উইকেটে। ম্যাচটা তখনই ইতিহাসে। টস জিতে প্রথমে বোলিং নেয় পাকিস্তান। ভারতের ব্যাটিংয়ে ভরসা ছিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)—অর্ধশতরান করেন। ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant) ৩৯। কিন্তু বাকিরা ব্যর্থ। শাহিন শাহ আফ্রিদির দাপটে ভারত থামে ১৫১ রানে।

জবাবে বাবর–রিজওয়ান মিলে যেমন শুরু করেছিলেন, তেমনভাবে শেষও করেছেন। বাবরের ৬৮*, রিজওয়ানের ৭৯*—কোনও উইকেট না হারিয়ে পাকিস্তান ১৭ ওভার ৫ বলেই ম্যাচ পকেটে ঢুকিয়ে নেয়। সেই জয় এখনও বাবরের স্মৃতিতে সবচেয়ে টাটকা: ‘ভারতকে হারানো আমার জন্য অনেক কিছু। প্রথমবার পাকিস্তানকে অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে জেতানো—এটাই কেরিয়ারের সেরা মুহূর্ত!’ পাশে বসে পিটারসেনও যোগ করেন, ‘ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্বক্রীড়ার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বিতা।’বাবর সায় জানিয়ে মাথা নাড়িয়ে বলেন, ‘লেভেলটাই আলাদা।’

পাকিস্তানি তারকার যাত্রাপথে ওই জয়ই একমাত্র বাঁক নয়। মনে করেন ২০১৮–১৯ দক্ষিণ আফ্রিকা সফর তাঁর মানসিকতা বদলে দেয়। সেঞ্চুরিয়নে ৭১, কেপ টাউনে ৭২—স্টেইন, রাবাডার মতো বোলারদের বিরুদ্ধে রান করে বাবরের মনে হয়েছিল, তিনি সত্যিই ‘সর্বোচ্চ স্তরে টিকতে পারবেন’। এরপর ২০১৯ বিশ্বকাপ। নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) বিরুদ্ধে সেই অপরাজিত শতরান, বাবরের মতে, তাঁর অন্যতম সেরা ইনিংস। ওই টুর্নামেন্টেই ৪৭৪ রান করে রেকর্ড গড়েছিলেন বাবর।

এখন অবশ্য বাবর পাকিস্তানের (Pakistan) অধিনায়ক নন। ২০২৩ ও ২০২৪—দু’টি বিশ্বকাপেই খারাপ ফলের জেরে কুর্সি গিয়েছে। টি-২০ দল থেকেও বাদ পড়েছিলেন কিছুদিন। আবার দলে ফেরা। আর কামব্যাকের পর লক্ষ্য স্পষ্ট—একটা আইসিসি ট্রফি। বাবর বললেন, ‘ফাইনালে গিয়েছি, কিন্তু পারিনি। তাই আরও কঠোর পরিশ্রম করছি। ফিটনেস, স্কিল—সব খুঁটিনাটি নিয়ে কাজ করছি। পাকিস্তানের জন্য একটা আইসিসি ট্রফি জিততে চাই।’

ভারত–পাকিস্তান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন অধ্যায় আরও যোগ হবে। তবে বাবরের কাছে ২০২১ সালের সেই রাত—আজও তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত।


```