ম্যাচ চলাকালীন ডাগআউটে বসে মোবাইল ব্যবহার! আইপিএলের কড়া নিয়ম ভেঙে চরম বিতর্কে রাজস্থান রয়্যালসের টিম ম্যানেজার রোমি ভিন্দার। অ্যান্টি-করাপশন প্রোটোকল ভঙ্গের দায়ে কী কী শাস্তি হতে পারে তাঁর? বিস্তারিত পড়ুন।

গ্রাফিক্স: দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 12 April 2026 15:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাঠের লড়াই শেষ, আর ঠিক এরপরই বিতর্ক শুরু মাঠের বাইরে (BCCI Anti-Corruption Protocol Breach)। নজরে রাজস্থান রয়্যালসের (Rajasthan Royals) টিম ম্যানেজার রোমি ভিন্দার (Romi Bhinder)। অভিযোগ—ম্যাচ চলাকালীন ডাগআউটে বসে মোবাইল ব্যবহার করেছেন তিনি। যা সরাসরি অ্যান্টি-করাপশন প্রোটোকলের উল্লঙ্ঘন (BCCI Anti-Corruption Protocol Breach)। ইতিমধ্যে বিষয়টি স্বীকার করেছে বিসিসিআই (BCCI)। দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট বার্তা—‘অ্যাকশন নেওয়া হবেই!’
ডাগআউটে ফোন, নিয়ম ভাঙার অভিযোগ
ঘটনাটি সামনে আসে টিভি ক্যামেরায়। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (Royal Challengers Bengaluru) বিরুদ্ধে খেলা চলাকালীন ডাগআউটে বসে ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায় ভিন্দারকে। আইপিএলের নিয়ম পরিষ্কার—ড্রেসিংরুমে অসুবিধা না হলেও ডাগআউটে মোবাইল নৈব নৈচ চ! যে কারণে সবাই সমস্বরে মেনে নিয়েছে, নিয়ম ভেঙেছেন ভিন্দার। এই নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই।
‘অ্যাকশন নিতেই হবে’
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি ‘প্লেয়ার্স অ্যান্ড ম্যাচ অফিসিয়ালস এরিয়া’-র (PMOA) প্রোটোকল ভঙ্গ। এক কর্তার কথায়, ‘ভুল হতেই পারে, কিন্তু অ্যাকশনও তো নিতে হবে।’শাস্তির ধরন নির্ভর করছে ম্যাচ রেফারি ও অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (ACU) রিপোর্টের উপর। সতর্কবার্তা থেকে সাসপেনশন—সবই সম্ভব।
‘লোকাল গার্ডিয়ান’ মন্তব্যে চড়ল বিতর্ক
চর্চা দ্বিগুণ হয়েছে অন্য একটি কারণে। তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi) ম্যাচের পর ভিন্দারকে ‘লোকাল গার্ডিয়ান’ বলে উল্লেখ করেন। প্রশ্ন উঠছে—দলের ভিতরে ঠিক কী ভূমিকা পালন করছেন বিতর্কিত ‘ম্যানেজার’? যে কারণে শুধু ফোন ব্যবহার নয়, তাঁর অবদানও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাজার সম্ভাবনা একাধিক
গোটা বিষয় ইতিমধ্যে অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের নজরে। প্রাথমিক যেটুকু ইঙ্গিত, তদন্ত হবে। রিপোর্ট জমা পড়বে। তারপর সিদ্ধান্ত। সম্ভাব্য শাস্তির তালিকাও বড়—জরিমানা হতে পারে। ডাগআউট ও ড্রেসিংরুমে নিষেধাজ্ঞাও আসতে পারে। কারণ, আইপিএলের ডাগআউট ‘হাই-সিকিউরিটি জোন’। এখানে বাইরের প্রভাব ঠেকানোই মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে, ঘটনাটা ছোট নয়। কারণ, প্রশ্ন শুধু নিয়মভঙ্গ নয়—বিশ্বাসযোগ্যতার। যাকে বিসিসিআই হাল্কাভাবে নিতে নারাজ।