ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে। প্রথমে ব্যাট করে ১৮.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া—মাত্র ১২৫ রানে।

ট্র্যাভিস হেড
শেষ আপডেট: 31 October 2025 17:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদম নির্ভুলভাবে কাজের কাজ সেরে ফেলল অস্ট্রেলিয়া (Australia)। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (MCG) দ্বিতীয় টি–২০ ম্যাচে ভারতকে (India) সহজেই হারাল মিচেল মার্শের (Mitchell Marsh) দল। ১২৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে ১৪ ওভারও লাগল না।
এর আগেই ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে। প্রথমে ব্যাট করে ১৮.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া—মাত্র ১২৫ রানে। শুরু থেকেই দাপট দেখান অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা। বিশেষ করে জশ হেজলউড (Josh Hazlewood), যিনি একাই শেষ করে দেন টপ অর্ডার। মাত্র ১৩ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট—শুভমন গিল (Shubman Gill), সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav) ও তিলক বর্মা (Tilak Varma)।
৮ ওভারের মধ্যেই ৫ উইকেট হারায় ভারত। একমাত্র লড়াই চালান ওপেনার অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। ৩৭ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক। ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ব্যাটিং কিছুটা মানরক্ষা করে ভারতের। নিচের দিকে নেমে হর্ষিত রানা (Harshit Rana) ৩৫ রান তুললেও দলের স্কোর বাড়ানোর মতো কেউ ছিলেন না।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হেজলউড ছাড়াও নাথান এলিস (Nathan Ellis) ও জেভিয়ার বার্টলেট (Xavier Bartlett) ২টি করে উইকেট নেন।
টার্গেট ছোট। ফলে ব্যাট হাতে শুরু থেকেই খোলা মনে খেলতে নামে অস্ট্রেলিয়া। ট্র্যাভিস হেড (Travis Head) আগুন ঝরানো ব্যাটিংয়ে ভারতের বোলিং ছিন্নভিন্ন করেন। ১৫ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নিলেও ততক্ষণে ম্যাচের মোড় ঘুরে গিয়েছে। মার্শ (Mitchell Marsh) ও জশ ইংলিস (Josh Inglis) দায়িত্ব নিয়ে কাজ এগিয়ে নেন।
ভারতের হয়ে বড় সাফল্য আসে বরুণ চক্রবর্তীর (Varun Chakaravarthy) হাত ধরে। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। কিন্তু তাতেও বিরাট কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। শেষ পর্যন্ত কয়েক ওভার বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া—হাতে ৪ উইকেট রেখে।
এই জয়ের সুবাদে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১–০ এগিয়ে গেল অজিরা। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর, দ্বিতীয় ম্যাচেই ফের আগুনে ছন্দে ফিরল মার্শ–বাহিনী। অন্যদিকে, গম্ভীর (Gautam Gambhir)–সূর্যকুমারদের জন্য এ হারের পর প্রশ্ন থেকে গেল—অর্শদীপ সিংকে (Arshdeep Singh) বাইরে রেখে কি আদৌ ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব?