গ্ল্যামার জগতের স্টারডম সরিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে মাধুরী কিন্তু ভীষণ পরিবারের কাছাকাছি।

গ্রাফিক্স - দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 24 June 2025 16:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাধুরী দীক্ষিত, যে নামটা আটের দশক থেকে আমাদের মন জয় করে নিয়েছে। পুরুষ শাসিত ইন্ডাস্ট্রিতে মাধুরী যেন এক নারীশক্তির জয়গান। পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত মাধুরী দীক্ষিত শুধু অভিনয়ের জন্য নয়, নাচের জন্যও মাধুরী সকলের নয়নের মণি। বহু মধ্যমেধার মেনস্ট্রিম ছবি সুপারহিট হয়েছিল শুধুমাত্র মাধুরীর ডান্স নাম্বারের জন্য।
কিন্তু দুই বড় দিদিও আছেন মাধুরীর। যাঁরা লাইমলাইটের থেকে দূরে থাকতেই চিরকাল পছন্দ করেছেন। কেউ জানতই না মাধুরীর আরও দুই দিদি আছে। শুধু তাই নয়, তাঁরা তালিম নেওয়া কত্থক নৃত্যশিল্পী। কিন্তু গ্ল্যামার দুনিয়ায় পা রাখতে তাঁরা চাননি।

গ্ল্যামার জগতের স্টারডম সরিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে মাধুরী কিন্তু ভীষণ পরিবারের কাছাকাছি। ডাক্তার শ্রীরাম নেনে ঘরণী হিসেবে মাধুরী ভীষণ ঘরোয়া। স্বামী ও দুই পুত্র নিয়ে তিনি সুখী জীবনে। তাঁর মা স্নেহলতা দীক্ষিতও ভীষণ ভাবে চেনা মুখ ইন্ডাস্ট্রিতে। দর্শকের কাছেও স্নেহলতা দেবীর মুখ বেশ জনপ্রিয়। মায়ের মুখের সঙ্গে মাধুরীর মুখের মিলও আছে।
মাধুরীর মা স্নেহলতা প্রয়াত হন ২০২৩ সালে। আর মাধুরীর বাবা শঙ্কর দীক্ষিত প্রয়াত হন ২০১৩ সালে। বাবা চাইতেন মেয়ে ডাক্তার হন, কিন্তু মেয়ে হলেন অভিনেত্রী। তবে বাবার আশা কিছুটা হলেও হয়তো পূরণ হয়েছিল যখন ডাক্তার জামাই নেনেকে তিনি পেলেন।

মাধুরীর দুই দিদির নাম রূপা দীক্ষিত আর ভারতী দীক্ষিত। দু'জনেই তাঁরা কত্থক শিল্পী। একসঙ্গেই তিন বোন তালিম নিতেন তারা। লাইমলাইটের থেকে দূরে থাকলেও মাধুরীর সঙ্গে দুই বোনের বন্ডিং ভীষণ দৃঢ়।
তবে দুই বোনের রয়েছে পেশাগত জগৎ। রূপা দীক্ষিত সফটওয়্যার আর্কিটেকট আর ভারতী দীক্ষিত কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের এক ভাইও আছেন অজিত দীক্ষিত।

দুই দিদির পড়াশোনাতে মাধুরীর অনেকটা অবদান ছিল। সংসার একসময় চলত কিন্তু মাধুরীর টাকাতেই। খুব ছোট বয়সেই সিনেমা জগতে চলে আসেন মাধুরী। নিজেকে নিজেই তৈরি করেছিলেন মাধুরী। চিরকালই মাধুরীর জন্য দীক্ষিত পরিবারের সবাই জনপ্রিয় হয়েছেন।
সোশ্যাল মাধ্যমে মাধুরী দীক্ষিত নিজেই ভাগ করে নেন মায়ের মৃত্যুদিনে মায়ের সঙ্গে দুই দিদির ছবি। দু'জনেই এই প্রথম সামনে এলেন। দুই দিদির ব্যক্তিত্ব সকলের মন জয় করে নিয়েছে।দু'জনেই তাঁরা সুন্দরী। কিন্তু কখনও ছোট বোনের পরিচয়কে নিজেদের জীবনে ব্যবহার করেননি তাঁরা।