নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ার সুযোগ নিতে চেয়েছিলেন সেই প্রযোজক। আর তখনই প্রযোজকের গালে টেনে চড় কষান অভিনেত্রী।

কনীনিকা
শেষ আপডেট: 18 June 2025 16:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভবানীপুর বকুলবাগানের মেয়ের স্বপ্ন ছিল সিনেমার নায়িকা হবার। ছোট থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি তাই নাচ শেখা। তিনি কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবতা কনীকে সুযোগ এনে দিলেন টলিউডের সেরা পরিচালককে গুরু রূপে পাবার। তিনি হলেন রবি ওঝা। 'এক আকাশের নীচে' সিরিয়ালে 'পাখি' চরিত্র দিয়ে প্রথম অভিনয়ে পা রাখেন কনীনিকা। সালটা ২০০০। এরপর কনীনিকার প্রথম বাংলা ছবি
রবি ওঝার হাত ধরেই। তাঁর 'আবার আসিব ফিরে' ছবিতে নায়িকা হলেন কনীনিকা। উৎকৃষ্ট মানের ছবি হলেও ফ্লপ। তাই ছোট পর্দার নায়িকা হতেই মন দিলেন কনী। দেখতে দেখতে কেটে গেল ২৫টা বছর।
টলিপাড়ায় অভিনেত্রী হিসাবে যথেষ্ট পরিচিত মুখ কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে তিনি ‘জি বাংলার রান্নাঘর’ এর সঞ্চালিকা।
শুধু বাংলাতেই নয়, একসময় কেরিয়ার গড়তে সুদূর মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, একটা সময়ে আর পাঁচটা অভিনেত্রীদের মতো তাঁরও ইচ্ছে ছিল বলিউডে অভিনয় করার। আর সেটাই নাকি ছিল অভিনেত্রীর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। তবে ঠিক কি ঘটেছিল কনীনিকার সঙ্গে?
কনীনিকা বলেন, কাজ পেতে মুম্বই গিয়েছিলাম, ‘ওখানে দেখলাম নদী থেকে সমুদ্রে এসে পড়লাম। ওই ইন্ডাস্ট্রির কালচার, সকালে একসঙ্গে কফি আর রাতে মদের গ্লাস তুলে চিয়ার্স বলতে হয়। তবেই কাজ পাওয়া যায়। যে যত মদের পার্টিতে যোগ দিতে পারবে তার হাতে তত কাজ।’
সেখানে গিয়ে এক বাঙালি প্রযোজকের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু তাঁর। একদিন ওই প্রযোজক কনীনিকা কে ডিনারে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে অভিনেত্রীকে ওয়াইন অফার করেন তিনি। নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ার সুযোগ নিতে চেয়েছিলেন সেই প্রযোজক। আর তখনই প্রযোজকের গালে টেনে চড় কষান অভিনেত্রী। এরপর সোজা বম্বেকে গুডবাই জানিয়ে কলকাতা ফিরে আসেন অভিনেত্রী।