শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী—ছুটবে হাই-স্পিড ট্রেন! Budget 2026-এ রেলে বড় ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারামন।

ছবি: দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 1 February 2026 11:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সব রেল মন্ত্রী বা অর্থমন্ত্রীই বাজেটে একটা সিগনেচার রেখে যান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন ঘোষণা করেছিলেন দূরন্ত এক্সপ্রেস। লালু প্রসাদের ঘোষণা ছিল গরিব রথ। তেমনই রবিবার কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬–২৭ (Budget 2026) পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) দেশের রেল পরিকাঠামোয় বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করলেন। তিনি জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতি বাড়াতে এবং শহরগুলির মধ্যে দ্রুত সংযোগ গড়ে তুলতে মোট ৭টি হাই-স্পিড রেল করিডর চালু করা হবে। যার মধ্যে অন্যতম হল শিলিগুড়ি বারাণসী হাই স্পিড রেল করিডর (Siliguri Varanasi high speed rail corridor) এই করিডরগুলিকে তিনি আখ্যা দেন ‘গ্রোথ কানেক্টর’ বা অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সেতু হিসেবে।
অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত বাকি ৬ হাই-স্পিড রেল করিডরগুলি হল— মুম্বই–পুনে, পুনে–হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ–বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ–চেন্নাই, চেন্নাই–বেঙ্গালুরু এবং দিল্লি–বারাণসী। সরকারের দাবি, এই করিডরগুলি চালু হলে শুধু যাতায়াতের সময় কমবে না, বরং শিল্প, বাণিজ্য, পর্যটন এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুম্বই–পুনে এবং বেঙ্গালুরু–চেন্নাইয়ের মতো করিডরগুলি দেশের প্রধান শিল্প ও আইটি হাবগুলিকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করবে। অন্যদিকে দিল্লি–বারাণসী–শিলিগুড়ি করিডর উত্তর ও পূর্ব ভারতের মধ্যে যোগাযোগে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনতে পারে। শিলিগুড়িকে ‘নর্থ-ইস্ট গেটওয়ে’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই রেল সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
#UnionBudget2026 | Union FM Nirmala Sitharaman says, "In order to promote environmentally sustainable passenger systems, we will develop 7 high-speed rail corridors between cities as growth connectors: Mumbai to Pune, Pune to Hyderabad, Hyderabad to Bengaluru, Hyderabad to… pic.twitter.com/Ypv0diIJut
— ANI (@ANI) February 1, 2026
অর্থমন্ত্রী জানান, এই হাই-স্পিড রেল প্রকল্পগুলির মাধ্যমে লজিস্টিক খরচ কমানো, ব্যবসার গতি বাড়ানো এবং আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি, নির্মাণ ও পরিচালন পর্যায়ে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে খবর, আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা, উন্নত ট্র্যাক প্রযুক্তি এবং যাত্রীবান্ধব স্টেশন পরিকাঠামো—সব মিলিয়ে এই করিডরগুলি ভারতের রেল ব্যবস্থাকে এক নতুন যুগে নিয়ে যাবে। বাজেট ঘোষণার পরই এই ‘গ্রোথ কানেক্টর’ প্রকল্পগুলি ঘিরে শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা।