খালেদা জিয়া ছাড়াও আরও ১৯ জনকে এবার স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে নতুন সরকার। তাঁদের মধ্যে অন্যতম মেজর মহম্মদ আব্দুল জলিল। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রয়াত এই যোদ্ধাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য অধ্যাপক জহুরুল করিমও এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ এই অসামরিক পুরস্কার এবার পাচ্ছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্যই ওই প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 5 March 2026 18:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খালেদা জিয়াকে (Khaleda Zia) মরণোত্তর (Posthumously) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করল তাঁর পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দীর্ঘদিনের বিরোধী নেত্রী এবং বিএনপির সাড়ে চার দশকের চেয়ারপারসন খালেদাকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষা সহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য।

বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর মার্চ মাসে স্বাধীনতা পুরস্কার ঘোষণা করে থাকে। ২৬ মার্চ দেশটি স্বাধীনতা দিবস পালন করে থাকে। মার্চকে সেই কারণে স্বাধীনতার মাস হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ (Bangladesh)।
খালেদা জিয়া ছাড়াও আরও ১৯ জনকে এবার স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে নতুন সরকার। তাঁদের মধ্যে অন্যতম মেজর মহম্মদ আব্দুল জলিল। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রয়াত এই যোদ্ধাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য অধ্যাপক জহুরুল করিমও এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ এই অসামরিক পুরস্কার এবার পাচ্ছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্যই ওই প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে।
যে কুড়ি জন এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন তাঁদের মধ্যে ছয়জন সমাজসেবা/জনসেবায় বিশেষ অবদানের কারণে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিদ্যা, সাহিত্য সংস্কৃতি খেলাধুলা এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণের কাজে বিশেষ অবদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কারের ঘোষণা জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকেও।