১৯৯১ এবং ২০০১ এর নির্বাচনে তিনি পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হন। প্রত্যেকটিতেই বিপুল মার্জিনে জয়ী হন বিএনপি নেত্রী।
_0.jpg.webp)
খালেদা জিয়া (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 30 December 2025 10:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন (Bangladesh Election)। ওই নির্বাচনে খালেদা জিয়ার দেশের তিনটি সংসদীয় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল। তার মৃত্যুতে এবার ওই আসন গুলিতে নতুন প্রার্থী ঘোষণা করবে বিএনপি (BNP)।
এবারই প্রথম নয় এর আগে একই সঙ্গে পাঁচটি করে আসনে লড়াই করে বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড আছে বিএনপির সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার (Bangladesh Former PM Khaleda Zia)। ১৯৯১ এবং ২০০১ এর নির্বাচনে তিনি পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হন। প্রত্যেকটিতেই বিপুল মার্জিনে জয়ী হন বিএনপি নেত্রী। ২০০৮-এর নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন ৩ আসনে। সেবারেও প্রত্যেকটি আসনেই নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশে (Bangladesh) অবশ্য একাধিক আসনে প্রার্থী হওয়া শুধুমাত্র খালেদা জিয়াই নন আরও অনেক নেতা নেত্রীর রেকর্ড রয়েছে আওয়ামী লিগ সভানেত্রী শেখ হাসিনারও (Seikh Hasina) একাধিক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার নজির রয়েছে।
তাঁর নির্বাচনী ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তিনি বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রামের আসনগুলিতে বেশিবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯১ সালে ঢাকার এবং ২০০১ সালে খুলনার (Khulna) একটি আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিবার প্রতিটি আসনেই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তুলনায় তার জয়ের মার্জিন ছিল বিপুল। ফলে বিএনপি ক্ষমতারচ্যুত হলেও খালেদার জনপ্রিয়তা ছিল প্রশ্নাতীত।
বিএনপি (BNP) দাবি করে থাকে খালেদা জমানায় বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের উপবৃত্তি এবং শিক্ষা কার্যক্রমে খাদ্য সহায়তা চালুর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়।। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করে এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, তাঁর জমানার অন্যতম অবদান।