বাংলাদেশ সরকারের তিন মন্ত্রণালয়ের চারটি সংস্থা প্রথম ধাপে এক হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন করবে। পর্যায়ক্রমে বাকি অংশের খাল খনন করা হবে। স্বেচ্ছাস্রমের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও বহু জায়গায় গরিব মানুষকে মজুরির বিনিময়ে কাজ দেওয়া হবে।

শেষ আপডেট: 16 March 2026 16:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৫০ বছর আগের একটি সরকারি কর্মসূচিকে পুনরায় চালু করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। সোমবার সকালে বাংলাদেশের (Bangladesh) উত্তর প্রান্তের জেলা দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সাহাপাড়ায় খাল খননের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৭ সালে সে দেশে চালু হয়েছিল বৃহত্তম সরকারি কর্মসূচি নতুন খাল, বিল খনন ও পরিত্যক্ত, ব্যবহার অযোগ্য জলাশয়ের পুনরুজ্জীবন। সেই সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন তারেক রহমানের পিতা তথা বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান। দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে জলের সংস্থান করতে ওই কর্মসূচি নিয়েছিলেন প্রয়াত জিয়া। তিনি খাল খনন কর্মসূচিতে জনসাধারণকে স্বেচ্ছা শ্রম দিতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সাময়িকভাবে সেনাবাহিনী কেউ এই কাজে নিয়োজিত করেছিলেন।
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি'র ইস্তাহারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল খাল খনন এবং পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত জলাশয়ের পুনরুজ্জীবন। ইতিপূর্বে কৃষি ঋণ মুকুব, ফ্যামিলি কার্ড চালু এবং মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত সহ উপাসনালয়ের প্রধান ও সহযোগীদের জন্য ভাতা চালু করে দিয়েছেন তারেক রহমান। তাঁর কথায়, আঙুল থেকে ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই বিএনপি সরকার প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করল।
বাংলাদেশ সরকারের তিন মন্ত্রণালয়ের চারটি সংস্থা প্রথম ধাপে এক হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন করবে। পর্যায়ক্রমে বাকি অংশের খাল খনন করা হবে। স্বেচ্ছাস্রমের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও বহু জায়গায় গরিব মানুষকে মজুরির বিনিময়ে কাজ দেওয়া হবে।
খাল কাটলেন তারেক রহমান #TariqueRahman #BangladeshPM #bnp #BangladeshNews #viralvideo #TheWallNews pic.twitter.com/nj3g1Pz0DF
— The Wall (@TheWallTweets) March 16, 2026
বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের হারিয়ে যাওয়া ৫২০টি ছোট নদী পুনরুদ্ধার করা হবে। সেগুলি বেদখল অথবা পলি জমে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। সরকারের লক্ষ্য হল চাষের জমিতে জলের প্রবাহ বাড়ানো। আসন্ন গ্রীষ্মে ধান চাষের জন্য বিপুল পরিমাণ জলের প্রয়োজন হবে। নতুন সরকার চাইছে বৃষ্টির জল ধরে রেখে সেচের সুবিধা প্রদান করতে। খাল, বিল থেকে পলি উত্তোলনের পর সেগুলি আঞ্চলিক জলাধারে পরিণত হবে বলে বাংলাদেশের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শাহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে এই প্রকল্প নিয়ে গুচ্ছ বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের এক পদস্থ আধিকারিক জানান প্রতিটি বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন হাল খনন করার পর সেগুলির পার ভালো করে বাঁধিয়ে দিতে হবে। খালি দুপাশে ফুল ও ফলের গাছ রোপন করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।