ইদ বার্তায় আওয়ামী লিগ নেত্রী বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনার পর এল আনন্দের ইদ। এক মাসের সংযম আমাদের মানবিক, সহনশীল হতে শিক্ষা দেয়। শিক্ষা দেয় আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মর্যাদার ভিত্তিতে একটি মানবিক বিশ্ব গড়ার প্রত্যাশা আমাদের সবার।
.jpeg.webp)
শেখ হাসিনা
শেষ আপডেট: 21 March 2026 13:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগ (Awami League) নেত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বাণীতে তিনি আক্ষেপ করেছেন উৎসবের দিনে দেশে থাকতে না পারায়। একই সঙ্গে সংকল্প ব্যক্ত করেছেন স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের। অঙ্গীকার করেছেন নতুন বাংলাদেশ গড়ার। হাসিনার কথায় গোটা বাংলাদেশ এখন কারাগার। সেই জেলখানা থেকে তিনি দেশকে মুক্ত করবেন।
ইদ বার্তায় আওয়ামী লিগ নেত্রী বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনার পর এল আনন্দের ইদ। এক মাসের সংযম আমাদের মানবিক, সহনশীল হতে শিক্ষা দেয়। শিক্ষা দেয় আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মর্যাদার ভিত্তিতে একটি মানবিক বিশ্ব গড়ার প্রত্যাশা আমাদের সবার।
তিনি আরও বলেছেন, স্বদেশ থেকে দূরে থেকেও আজকের পবিত্র ইদের দিনে প্রত্যাশা করি দেশের প্রতিটি মানুষ ভাল থাকুক। দেশের প্রতিটি খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মানুষের কাছে ইদ উৎসব হয়ে উঠুক। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি আমার দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা যেন পূরণ হয়, তারা যেন পরাজিত না হয় দারিদ্র্যের কাছে। পরাজিত না হয় দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের কাছে।
আওয়ামী লিগ নেত্রীর বক্তব্য, আজ সকলের কাছে স্পষ্ট-কী ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের গরিব মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট থেকে পুরো বাংলাদেশ একটি কারাগার হয়ে আছে। মুক্তমনা লেখক, সাংবাদিক, জাতীয় ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী দিয়ে কারাগারগুলি পূর্ণ। নিরপরাধ এসব মানুষ এবং তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে আমি সহমর্মিতা এবং দুঃখ প্রকাশ করছি। সশরীরে পাশে থাকতে না পারলেও আপনারা নিশ্চিত থাকুন সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বেঁচে থাকা বঙ্গবন্ধুর কন্যা আপনাদের এবং সমগ্র দেশবাসীর মুক্তির জন্য জীবন উৎসর্গ করতে দ্বিধা করব না। আমাদের বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণেই আসবে মানুষের সত্যিকারের ঈদের আনন্দ।
হাসিনার বক্তব্য, বিগত দখলদার নাৎসি ইউনুস সরকারের ভুলনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী নানাবিধ সংকটে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব চলছে। বাংলাদেশেও এ মন্দার প্রভাব দৃশ্যমান। ফলে সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে স্বাভাবিক জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমি সমাজের স্বচ্ছল ও বিত্তবান মানুষের প্রতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে হাসি-খুশি ও ইদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠে। আগামী দিনগুলো সত্য ও সুন্দর হোক। ইদ মুবারক!