Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!

ঢাকায় বিমান দুর্ঘটনা: মৃতদেহ লুকনো অসম্ভব, সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা দিয়ে দাবি প্রেস সচিবের

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের নিয়মিত আপডেট নেওয়া হচ্ছে। সামরিক বাহিনীও এতে সহায়তা করছে। 

ঢাকায় বিমান দুর্ঘটনা: মৃতদেহ লুকনো অসম্ভব, সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা দিয়ে দাবি প্রেস সচিবের

শেষ আপডেট: 23 July 2025 15:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার ঢাকায় বিমান দুর্ঘটনায় কত মানুষ মারা গিয়েছেন? সেনাবাহিনী এখনও পর্যন্ত  ৩১ জন মারা যাওয়ার কথা জানিয়েছে। চিকিৎসাধীন ১৭৩ জন।

যদিও সমাজমাধ্যমে বহু মানুষ দাবি করেছেন মৃতের সংখ্যা একশোর বেশি। সরকার ও সেনা বাহিনী প্রকৃত সংখ্যা কমিয়ে দেখাচ্ছে। বহু লাশ গায়েব করে দেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় দুর্ঘটনাস্থল মাইলস্টোন কলেজে ছিলেন। সেখানে পড়ুয়া ও ছাত্ররা তাঁদের অবরুদ্ধ করেছিলেন। প্রেস সচিবের সঙ্গে দুই উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং সি আর আরবার হাজির ছিলেন। তাঁরা যথাক্রমে আইন ও শিক্ষা উপদেষ্টা।

প্রেস সচিব হওয়ার আগে শফিকুল আলম ছিলেন সাংবাদিক। তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির ঢাকা ব্যুরোর চিফ ছিলেন। সাংবাদিকতায় দীর্ঘ চব্বিশ বছরের অভিজ্ঞতাী সূত্রে তিনি দাবি করেছেন, লাশ গায়েব করা অসম্ভব।

তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, মঙ্গলবার আমরা মাইলস্টোন কলেজ পরিদর্শন করেছি শোকাহত পরিবার এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের সঙ্গেও দেখা করেছি যাঁরা এখনও এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শোকাহত, স্তব্ধ। সেখানকার পরিবেশ ছিল শোক ও ক্ষোভে ভারাক্রান্ত। অনেক শিক্ষার্থী সরাসরি তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের জানিয়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে অসঙ্গতির জন্য হতাশা প্রকাশ করেছে।

শফিকুল আলম লিখেছেন, সাংবাদিক হিসেবে আমি ২০০২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অসংখ্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা-দুর্যোগের ঘটনায় রিপোর্ট লিখেছি। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে বাংলাদেশে হতাহতের সংখ্যা গোপন করা কার্যত অসম্ভব। প্রাথমিকভাবে, কেউ নিখোঁজ থাকলে পরিবারগুলো সেটা রিপোর্ট করে। হাসপাতাল ও কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জানায় এবং সেখান থেকে তারা তাদের প্রিয়জনদের খুঁজে পায়। এই ঘটনায় মাইলস্টোন কলেজ নিখোঁজদের সনাক্ত করার জন্য সেদিনের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির রেকর্ড ক্রস-রেফারেন্স করতে পারে।

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য, দুজন উপদেষ্টা স্কুল কর্তৃপক্ষকে ক্যাম্পাসে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। কন্ট্রোল রুম থেকে স্কুলের রেজিস্ট্রির তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে আহত এবং নিহতের সংখ্যা সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উপদেষ্টারা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রমে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছেন। আমরা আশা করছি কন্ট্রোল রুমটি বুধবার থেকে সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের অবস্থা সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হচ্ছে। সামরিক বাহিনীও এই প্রচেষ্টায় সহায়তা করছে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি, হতাহতের সংখ্যা কম করে দেখানোর কোনও কারণ সরকারের নেই।

তিনি লিখেছেন, মঙ্গলবার আমরা স্কুলে নয় ঘন্টা কাটিয়েছি। যদিও আমরা আরও আগে চলে আসতে পারতাম, কিন্তু উপদেষ্টারা বলপ্রয়োগ ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তাঁরা যত সময়ই প্রয়োজন হোক না কেন সেখানে অবস্থান করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। আমরা পরিস্থিতি শান্ত ও শৃঙ্খল হওয়ার পরই সেখান থেকে বের হয়েছি।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যারা এ নির্মম দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের মৃত্যুতে আমরা শোক জানাই। এটি একটি ন্যাশনাল ট্র্যাজেডি এবং তাঁরা সকলেই শহিদ। আমরা ভবিষ্যতে এ ধরনের ট্র্যাজেডি প্রতিরোধে আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে সকলকে এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই। সরকার জাতীয় নিরাপত্তা উন্নত করতে এবং বিমান-সম্পর্কিত দুর্যোগ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


```