বাংলাদেশে ভোটগণনা শুরু হতেই এগিয়ে বিএনপি। ৭৭ কেন্দ্রের হিসেবে ৫৫টি আসন তাদের দখলে। ভাল ফলের আশা করছে জামাতও। তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী দাবি বিএনপির।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 12 February 2026 22:44
বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার বিকালে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া মাত্র গণনা শুরু হয়ে যায়। রাত ১০ টা পর্যন্ত পাওয়া হিসেব অনুযায়ী সরকার গড়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি। তবে ভাল ফলের আসা জাগিয়েছে জামায়াতে ইসলামীও।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের খবর এখনো পর্যন্ত ৭৭ টি কেন্দ্রের গণনা শেষ হয়ে গিয়েছে। সেগুলির মধ্যে ৫৫টিতে জয়লাভ করেছে বিএনপি। ২১টিতে জয়লাভ করেছে জামাত। অন্যান্যরা পেয়েছে একটি আসন। তবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাত দশটায় সাংবাদিক বৈঠক করে দশটি আসনের ফলাফল জানিয়েছে। তাতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এর আভাস মিলেছে বিএনপি ও জামাতের মধ্যে। বিএনপি পেয়েছে ছয়টি আসন। অন্যদিকে জামাত পেয়েছে চারটি।
বিএনপি অবশ্য বিগত কয়েক দিনের মতোই বৃহস্পতিবারও ভোট শেষে দাবি করেছে তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়বে এবং তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ফলাফল নিয়ে তুলনায় বেশি সাবধানে জামায়েত ইসলামী। দলটির আমির শফিকুর রহমান বলেছেন তারা সরকার গড়ার ব্যাপারে আশাবাদী। শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা হবে তা তারা মেনে নেবেন।
ফলাফলের প্রাথমিক প্রবণতা থেকে অবশ্য অনেকেই চমকিত। অনেক আসনে জামাত যেমন এগিয়ে তেমনই অনেকগুলিতে বিএনপির সঙ্গে তাদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।
অতীতে বাংলাদেশে ভোট গণনায় বড় ধরনের কারচুপির অভিযোগ ছিল। সেই কথা বিবেচনায় রেখে বর্তমান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন রাত দশটায় সাংবাদিক বৈঠক করে সাংবাদিকদের বলেন তারা যেন সারারাত কমিশনে থেকে কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁর বক্তব্য, কমিশনের কাজে কোন অস্বচ্ছতা দেখলে সাংবাদিকরা তা তুলে ধরতে পারেন।
ঢাকায় জামাতের আমির শফিকুর রহমান এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অনেক ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি তথা সাবেক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম এবং আক্তার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
জামার দলগতভাবে ভালোফলের দিকে এগোলেও পার্টির তিনজন পদস্থ নেতা তথা হেভি ওয়েট প্রার্থী হেরে গিয়েছেন। তাঁরা হলেন, দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এবং সাবেক শিবির সেক্রেটারি ও আলোচিত আইনজীবী শিশির মনির৷