সোমবার সুপ্রিম কোর্ট এক জনস্বার্থ আবেদনের শুনানিতে এই ভাষাতেই মন্তব্য করেছে।

মহিলা সংরক্ষণ আইন প্রয়োগে কী কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের জবাব তলব করেছে শীর্ষ আদালত।
শেষ আপডেট: 10 November 2025 17:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতে মহিলা সংরক্ষণে দেশে মহিলারাই সবথেকে বেশি সংখ্যালঘু। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট এক জনস্বার্থ আবেদনের শুনানিতে এই ভাষাতেই মন্তব্য করেছে। মহিলা সংরক্ষণ আইন প্রয়োগে কী কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের জবাব তলব করেছে শীর্ষ আদালত। মহিলা সংরক্ষণ আইন অর্থাৎ লোকসভা, রাজ্য ও দিল্লির বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রয়েছে।
এদিন সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং আর মহাদেবন কেন্দ্রের জবাব তলব করার পাশাপাশি সংরক্ষণের পক্ষে কিছু প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করেছে। যার মধ্যে রয়েছে, দেশে মহিলারাই বৃহত্তম সংখ্যালঘু। বেঞ্চ বলে, ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা আছে, রাজনৈতিক ও সামাজিক সমানাধিকারের কথা। এই দেশের বৃহত্তম সংখ্যালঘু কারা, বেঞ্চ প্রশ্ন করে। বিচারপতিরা বলেন, তাঁরা হলেন মহিলা। প্রায় ৪৮ শতাংশ। এটাই হল মহিলাদের রাজনৈতিক সমানাধিকারের দৃষ্টান্ত।
কংগ্রেস নেত্রী ডঃ জয়া ঠাকুরের আনা আবেদনের জবাবে আদালত ২০২৩ সালের মোদী সরকারের নারীশক্তি বন্দন আইন প্রয়োগের বিষয়ে কেন্দ্রকে নোটিস দিয়েছে। আবেদনে নতুন করে আসন পুনর্বিন্যাসের আগেই আইন প্রয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনকারিণীর তরফে আইনজীবী শোভা গুপ্তা বলেন, স্বাধীনতা ৭৫ বছর পরেও আমাদের অর্থাৎ মহিলাদের এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের জন্য আদালতের চৌকাঠে আসতে হচ্ছে, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
আদালত কেন্দ্রের জবাব তলব করলেও একথা উল্লেখ করেছে যে, এ ধরনের নীতিগত বিষয়ে নাক গলানোর ব্যাপারে আদালতের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আসন পুনর্বিন্যাসের ব্যাপার সরকারের কাজ। আইন প্রয়োগ করার অধিকার এক্সিকিউটিভ বডির কাজ আমাদের কিছু করার থাকে না।