তামিলনাড়ুর নারায়ণপুরম গ্রামে বাড়িতে চুরির ঘটনায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন সিআরপিএফ অফিসার কলাবতী। ভাই ও বাবার নামে চুরির অভিযোগ দায়ের হয় ২৪ জুন।

কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সিআরপিএফ জওয়ান
শেষ আপডেট: 5 August 2025 14:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর কাঁধে দেশের দায়িত্ব। কিন্তু যখন নিজের বিয়ের গয়না চুরি (Theft) হয়ে যায় এবং পরিবারের অভিযোগের পরেও পুলিশ ব্যবস্থা নেয় না, তখন সেই অফিসারকেই ক্যামেরার সামনে কাঁদতে (Cries infront of camera) হয়।
তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) নারায়ণপুরম গ্রামে বাড়িতে চুরির ঘটনায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন সিআরপিএফ অফিসার (Woman CRPF Jawan) কলাবতী। ভাই ও বাবার নামে চুরির অভিযোগ দায়ের হয় ২৪ জুন। চুরি যায় ১৫ ভরি সোনা, ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং একটি সিল্ক শাড়ি।
ভিডিওতে কান্নাভেজা গলায় কলাবতী বলেন, “আমার বিয়ের জন্য রাখা সমস্ত গয়না চুরি হয়ে গেছে। মা যখন বাড়ি ফেরে, তখন দেখেন তালা ভাঙা। তখন পুলিশে জানান। কিন্তু পুলিশ জানিয়েছিল, ২৫ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ডিউটির কারণে তারা আসতে পারবে না। ২৮ জুন অবধি এফআইআরও দায়ের হয়নি।”
এ ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। বিজেপি নেতা কে. আননামলাই ভিডিওটি শেয়ার করে এক্স-এ লিখেছেন, “যেখানে দেশের পতাকা কাঁধে নিয়ে একজন মহিলা অফিসার অনলাইনে ন্যায়ের জন্য ভিক্ষা চান, তা শুধু আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতা নয়, এটি ডিএমকের শাসন মডেল।”
এদিকে, ভেলোর জেলা পুলিশ পাল্টা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মামলা রুজু হয়েছিল। নেওয়া হয়েছিল আঙুলের ছাপ ও সিসিটিভি ফুটেজ। পরে মোবাইল কল রেকর্ড বিশ্লেষণেও তদন্ত চলছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, কলাবতীর প্রাক্তন স্বামী সন্তোষের দিকেই অভিযোগকারীর সন্দেহ। তবে কলাবতীর অভিযোগ, পুলিশ প্রাথমিকভাবে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি, আর তাতেই ভেঙে পড়েছেন তিনি।
ঘটনার তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানালেও, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রবল আলোচনা। প্রশ্ন উঠছে - একজন মহিলা অফিসার যখন নিজের জন্য ন্যায় চেয়ে বাধ্য হন জনসমক্ষে কাঁদতে, তখন সাধারণ মানুষের ভরসার জায়গা কোথায়?